স্থানীয় সংবাদ

মানুষের মনে জামায়েতের ওপর আস্থা তৈরি হয়েছে : অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

# ৯ নং ওয়ার্ড ইউনিট প্রতিনিধি সমাবেশ #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, দেশে জামায়াতকে গণজাগরণ তৈরি করতে হবে। ঘরে-বাইরে ইসলামি জাগরণের তৎপরতা চালাতে হবে। প্রতিটি ঘরে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে হবে। একটি দলকে এখনো দেশের মানুষ পরীক্ষা করেনি আর সে দলটি হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। দেশের মানুষের মনে জামায়েতের ওপর আস্থা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, জামায়াত নেতাদের আমল, সততা, বিচক্ষণতা এবং আমানতদার হতে হবে। যাতে জনগণ জামায়াত নেতাদের ওপর ভরসা করতে পারে। বিপ্লবের জন্য নিজেরা আল্লাহর পথে অর্থ দিয়ে সহায়তা দিতে হবে। এবারের নির্বাচন অত্যাধিক চ্যালেঞ্জিং হবে। সব দল সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচন করবে। সেখানে যারা ধৈর্য্যরে সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে উত্তীর্ণ হবে তারাই প্রকৃত সফলতা লাভ করে। তাই জামায়াতের নেতাদের শক্তি-সাহস নিয়ে মাঠে ময়দানে কাজ করতে হবে। মঙ্গলবার (২০ মে) সকালে খুলনা মহানগরী খালিশপুর থানাধীন ৯নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বৈকালীস্থ ওয়ার্ড কার্যালয়ে ইউনিট প্রতিনিধি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
৯ নং ওয়ার্ড আমীর কাজী বায়েজীদ এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজি, মহানগরী জামায়াতের সমাজ কল্যাণ ও আইসিটি বিভাগীয় সেক্রেটারি অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, খালিশপুর থানা আমীর মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খালিশপুর থানা সভাপতি জাহিদুর ইসলাম । সভায় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী রেজাউল করিম, কাজী ওহিদুল ইসলাম, কাজী মনিরুল ইসলাম, কাজী জিয়াউর ইসলাম, হোসেন আলী, আবু নাইম, আসাদুজ্জামান, মানিক হোসেন, মাওলানা শহিদুল ইসলাম, নাছির উদ্দীন, মাওলানা নাছরুল্লাহ,মোা. জাকির, হাফেজ ইউনুস আলী, তাহাজ্জুদ হোসেন খোকন,খান মাসুদ, মোহাম্মদ রাসেল, সুরুজ মিয়া, তরিকুল ইসলাম, সোয়াইব ইসলাম, বাদশা মোল্যা, মতিয়ার রহমান, রেদোয়ান হক রোহান, শরিফুল ইসলাম, আরাফাত হোসেন, আসলাম হোসেন, লুতফর রহমান, মুহিমুর ইসলাম শান্ত, ডা. ওমর ফারুক, ইয়াছিন আরাফাত, খালিদ হাসান, নূর আলী, মাসুদ হাওলাদার, আব্দুল্লাহ জাবের, আল আমিন,সাইফুল, মোশাররফ হোসেন, আব্দুল্লাহ সাদী, জাহিদ হাসান, আরমান হোসেন, রাজু, শিহাব শেখ, মাওলানা আনোয়ার হোসেন, ইলিয়াস হোসেন, শরিফুল ইসলাম শামীম, নুর নবী, আব্দুল আজিজ, ছাত্রমিবির নেতা আল আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।
অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, সংগঠনের ইউনিট পর্যায়ে অর্থাৎ স্থানীয় কার্যক্রম যত বেশি শক্তিশালী হবে সামগ্রিকভাবে থানা, মহানগরী ও কেন্দ্রীয় সংগঠন ততো সুদৃঢ় হবে। যেখানে যতবেশি বিপর্যয় এসেছে সেখানে দ্বীনের দাওয়াত আরো ব্যাপকতর হয়েছে। ফলে কোন ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক বাঁধা দেখে ভয় পেয়ে হতাশ হওয়া বা কাজ কমিয়ে দেওয়া ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের জন্য উচিৎ নয়। কুরআন ও হাদিস থেকে আমরা জানতে পারি ইসলামী আন্দোলন প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে থেকে সবচেয়ে বেশি মজবুতি অর্জন করেছিল। সুতরাং ইসলামী আন্দোলনের দায়িত্বশীলদের যথাযথ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে দ্বীনের বিজয়কে তরান্বিত করতে হবে। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মুমিনদেরকে ভয়, ক্ষুধা ও জান-মালের ক্ষতি দিয়ে পরীক্ষা করে থাকেন।
আজিজুল ইসলাম ফারাজী বলেন, খুলনা মহানগর এলাকা গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এমন একটি এলাকার দায়িত্বশীল হিসেবে প্রত্যেক মহল্লায় ইউনিট পর্যায়ে সংগঠনের দাওয়াত ও ইকামাতে দ্বীনের কথা মানুষের কাছে পৌঁছিয়ে দেয়া আপনাদের নৈতিক দায়িত্ব। এখানে সংগঠন সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে গোটা দেশেই জামায়াতের মূল কার্যক্রমকে সার্বিকভাবে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব। সেই সঙ্গে মনে রাখতে হবে আমরা দেশের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং এলাকায় অবস্থান করছি। সমাজের মানুষের কল্যাণ ও সেবার মাধ্যমে জনগণের পাশে থাকতে হবে। অহংকার, রিয়া ও নফস এই জিনিসগুলোর বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি। এর মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে শুরু করে সংগঠনও ক্ষতির সম্মুখিন হয়। এই ব্যধিগুলো যেন দায়িত্বশীল ভাইদের ভিতরে না থাকে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button