স্থানীয় সংবাদ

খুলনার বাজারে অপরিপক্ক লিচু সরবরাহ থাকলেও দাম চড়া

শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ খুলনা নগরীতে বর্তমান সময়ে মৌসুমী সুস্বাধু ফল লিচুতে সয়লাব হলেও দাম নাগালে নেই সাধারণ ক্রেতাদের। ভ্রাম্যমান ভ্যানে করে ডাল পাতা সহ এসব লিচু বাধা থাকলেও প্রতি পিস লিচুর দাম চার টাকা থেকে পাচ টাকা পযন্ত দাম হাকাচ্ছে বিক্রেতারা। মূলতঃ লিচুর ভরা মৌসুম এখনও শুরু না হলেও বেশি মুনাফা লাভের আশায় বিক্রি করছেন লিচু উৎপাদন কারীরা। নগরীর ময়লাপোতা এলাকায় লিচু বিক্রেতা আরাফাত হোসেন বলেন, লিচু গুলো খুলনা কদম তলা এলাকা থেকে ক্রয় করেছেন। এখনও লিচুর ভরা মৌসুম শুরু হয়নি।যে কারণে দাম একটু বেশি। এছাড়া এসব লিচু গুলো যশোর,চুয়াডাঙ্গা মেহরপুর, জেলার থেকে আনা হয়েছে। আমরা খুছরা বিতেক্রতারা যে খুব বেশি দামে বিক্রি করছি কথা সত্য না।আমরা শ প্রতি ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা বেশি নেই। এছাড়া ক্রেতারা অভিযোগ করেন গেল বছরের তুলনায় বেশি দাম হাকাচ্ছে বিক্রেতারা।এ বিষয়ে কথা হয় ক্রেতা বেসরকারী ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি মোঃ জামিল হোসেনর সাথে তিনি বলেন, বয়রা বাজার এলাকায় ভ্যানে করে লিচু বিক্রি করছিল আমার ছেলেটি দেখে লিচু খাওয়ার বায়না ধরে। আমি ও মনে করলাম বছরে প্রথম নতুন ফল ৫০টি লিচু ২শ টাকা দিয়ে ক্রয় করি।তারপর বাসায় এসে দেখি মাত্র ৪৫ টি লিচু আছে। ৫টি লিচু কম। আর খেতে টক ভিরে থাকা বিচি মোটা।আমার লিচু খাওয়ার প্রতি মন উঠে গেছে। এছাড়া বিক্রেতারা যখন লিচু বিক্রি করে তারা লিচু গণনা করেনা বাসায় আসার পর কম হবেই।এছাড়া এই লিচু খাওয়ার পর প্যাটে মারাত্মক গ্যাসট্রিকের সমস্যায় ভুগতে থাকি। এ বিষয়ে কথা হয় খুলনা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপঃ পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলামের সাথে তিনি বলেন, এখনও দশ দিন পর লিচু খাওয়ার জন্য বয়সপ্রাপ্ত হবে। এখন যেসব লিচু দেখছেন এসব খুলনা জেলার না যশোর সহ তার আশে পাশের এলাকার লিচু।লিচু মূরত তিন ধরনের একটি মাদ্রাজি, একটি বেদনাও চায়না লিচু এসব কোন লিচু এখনও খাওয়ার উপযোগী হয়নি। তারপরও অনেক সময় ইথোফিন, ইথিলিন, মেশানো হয় যেসব লিচুতে। এসব লিচু ৭২ ঘন্টার পর খেতে হয় হয়।এখন বাজারে যেসব লিচু রয়েছে সেসব লিচু অপরিপ্ক্ক কি না না দেখে বলতে পারবোনা।যেহেতু এবছর বেশ গরম পড়েছে এতে করে আমাদের যে সময় নির্ধারণ করা থাকে ফল খাওয়ার উপযোগী সময় তা একটু আগেও আসতে পারে।এ বিষয়ে খুলনা জাতীয় ভোক্তা অধিকারের উপঃ পরিচালক মোঃ সেলিম বলেন, আমি বিষয়টি দেখছি কোন ক্রেতার সাথে প্রতারোণা করছে কিনা কোন বিক্রেতারা । এমনটি হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button