স্থানীয় সংবাদ

থানায় অভিযোগ করায় মরিচের গুড়া ছিটিয়ে শিশুসহ তিন জনকে জখম

স্টাফ রিপোর্টার: নগরীতে জমিতে গাছ কাটতে বাধা দেয়ার জন্য পুলিশের কাছে অভিযোগ করায় ভুক্তভোগ কে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে এলোপাতাড়ী ভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মা, নানি ও ছোট শিশুকে জখম করেছে দুবৃত্তরা । ঘটনাটি ঘটেছে নগরীর লবণচরা থানাধীন ঠিকরাবাদ এলাকায়। আহতরা বর্তমান খুমেক হাসপাতালে ১১.১২ নং সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছে। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগি ইতিমা বলেন, গেল মঙ্গলবার দুপুরে আমাদের জায়গায় জোরপূর্বক বড় মেহেগুণি গাছ কাটতেছিল সন্ত্রাসী বাবু, বাহদুর, জাহাঙ্গীর হালিমা ও তার ছেলে রসুল ও সুরঞ্জণ সুতার তার বাহিনী সদস্য মোটা সোহাগসহ অজ্ঞাত আরও পাঁচ থেকে সাতজন। আমি বিষয়টি স্থানীয় লবণচরা থানায় জানালে আমাকে বলেন, আপনি পুলিশ কমিশনার জুলফিকার স্যারের নিকট যেয়ে ঘটনাটি বলি। তিনি ওসি স্যারকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। এরপর বিকাল চারটায় পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে গাছ কাটতে নিশেধ করেন। এরপর পুলিশ চলে গেলে আমি বাড়ীতে বিশ্রাম নিচ্ছিলিমা হঠাৎ করে হামলাকারীরা আমারা চোখে মুখে শুকনা মরিচির গুড়া ছিটিয়ে দেয়।আমার চোখ জ¦লতে থাকে এরপর আমাকে এলোপাতাড়ি ভাবে মারতে থাকে।আমি দ্যেড়ে যেয়ে প্রতিবেশি পলির বাসায় আশ্রয় নিলে সেখানে এসে তারা হামলা চালায়। এসময় আশ্রয়দাতা পলি তার মেয়ে আড়াই বছরের শিশু কণ্যা মাইমুনাকে আঘাত করে।এতে করে তার দুই ঠোট কেটে ভাগ হয়ে যায়। আর প্রচুর রক্তক্ষরন হতে থাকে।এমনকি আমাকে হত্যার উদ্দ্যেশে গলায় ওড়না পেচায় শ^াসরুদ্ধ করার চেষ্ট করে। এমন সময় আমার মমতা মন্ডল আমাকে বাচাতে আসলে তাকে ও পিটিয়ে কুপিয়ে জখম করেন।এছাড়া আমি ও আশ্রয়দাতার বাড়ী ভাংচুর ও লুটপাট চালায় হামলাকারীরা।এ দিকে ঘটনাটি শুনে মঙ্গলবার রাত্রে নগর বিএনপি’র সভাপতি এ্যাডভোকেট শফিকুল আলমা মনা খুমেক হাসপাতালে ছুটে যান। তিনি ঘটনাটির নিন্দা প্রকাশ করেন পাশাপাশি দোষিদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনকে অবগত করেন। এ বিষয়ে লবণচোরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদুজ্জামান বলেন, হামলাকারী একজন মহিলা ফাতেমাকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।মামলা পক্রিয়াধীন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button