দিঘলিয়া থানা পুলিশের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালনা

স্টাফ রিপোর্টার ঃ দিঘলিয়া থানা পুলিশের নেতৃত্বে দিঘলিয়া থানার ফরমাইশখানা গ্রামে তিন দিন ব্যাপী যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১২ টা হতে পৌণে ২ টা পর্যন্ত দিঘলিয়া কন্টিনজেন্ট এ কর্মরত সঃ সংখ্যা ২০০৪০২৮১ এম মাহবুবুর রহমান, আরইএ-২ এবং দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি), এইচ এম শাহিনের নেতৃত্বে ১৬ জন নৌবাহিনী এবং ২৫ জন (১৫ জন পুলিশ ও ১০ জন ডিবি) পুলিশ সদস্যের সমন্বয়ে দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের ফরমাইশখানা গ্রামে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত অভিযানে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা মোঃ নাসিমুল গনির (নাসিম) সহযোগী মোঃ লোকমান হোসেন (৫৫) পিতাঃ আব্দুর রশিদ ভূঁইয়া মাতাঃ নুরজাহান বেগম গ্রামঃ ফরমাইশখানা পোঃ সেনহাটি উপজেলাঃ দিঘলিয়াকে (আসামীর সাথে মোবাইলে কথোপকথনের তথ্যের ভিত্তিতে) নিজ বাড়ি হতে গ্রেফতার করতঃ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। তবে বর্ণিত ব্যক্তি লিম্নে উল্লেখিত এজাহারভুক্ত মামলার আসামি নয় এবং থানায় তার নামে কোন অভিযোগ/মামলা নেই বলে সূত্র থেকে জানা যায়।
সূত্র থেকে আরো জানা যায়, গত ১৮ জুন ২০২৫ তারিখ ৬ টার সময় দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের ফরমাইশখানা গ্রামে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা মোঃ নাসিমুল গনি (নাসিম) পিতাঃ মৃত আব্দুল গফুর থানাঃ দিঘলিয়া জেলাঃ খুলনাকে ফরমাইশখানা গোলারঘাট সংলগ্ন হারুন মোল্লার ফার্নিচারের দোকানে পুলিশ টহল দল কর্তৃক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে গ্রেফতার করা হলে তার অনুসারীদের ৮-১০ জন ব্যক্তি পুলিশ সদস্যদের সাথে ধস্তাধস্তি করে। এ সময় এলাকার স্থানীয় আরও ২০-৩০ জন ব্যক্তি সমবেত হয়ে আটককৃত আসামি নাসিমকে পুলিশের নিকট হতে ছিনিয়ে নেয়। উক্ত সময় পুলিশের ৩ জন সদস্য কিছুটা আহত হন।
অতঃপর উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ায় দিঘলিয়া থানা পুলিশ বাদী হয়ে নাছিমসহ ২৫ জনের নাম উল্লেখপূর্বক এবং অজ্ঞাত ২৫-৩০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে ১৯-২১ জুন ২০২৫ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে পুলিশের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে কোন আসামিকে ধরা সম্ভব হয়নি বলে জানা যায়।



