স্থানীয় সংবাদ

সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের হাতে ক্ষমতা চলে গেলে আপনার সন্তানের সুরক্ষা, জীবনের নিরাপত্তা ও উজ্জল ভবিষ্যত হুমকির মুখে পড়বে : অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

# খালিশপুর থানার ১০নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে উঠান বৈঠক #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে নারীদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর খুলনা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচন হচ্ছে আপনার সন্তানের সুরক্ষা, জীবনের নিরাপত্তা ও উজ্জল ভবিষ্যত গড়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্বাচন। আপনার একটি ভোটেই নির্ধারণ হবে আপনার সন্তানের সুরক্ষা, জীবনের নিরাপত্তা ও উজ্জল ভবিষ্যত। সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের হাতে ক্ষমতা চলে গেলে আপনার সন্তানের সুরক্ষা, জীবনের নিরাপত্তা ও উজ্জল ভবিষ্যত হুমকির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, “দাঁড়িপাল্লা প্রতীক মানেই ন্যায়বিচার, ইনসাফ ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব। আমরা এমন একজন প্রতিনিধিকে সংসদে পাঠাতে চাই, যিনি জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে কথা বলবেন।” তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের বঞ্চনা আর বৈষম্যের অবসান ঘটাতে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিনব্যাপী খুলনা-৩ আসনের খালিশপুর থানার ১০নং ওয়ার্ডের চিত্রালী বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে উঠান বৈঠক শেষে গনসংযোগকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, খালিশপুর থানা আমীর মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন শেখ, ১০ নং ওয়ার্ড আমীর গাজী দেলোয়ার, বি এল কলেজের সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর কবির, সাবেক ছাত্রনেতা মুনসুর আলম চৌধুরী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খুলনা মহানগরী সহ সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান, আরিফ বিল্লাহ, আল কাওছার আমীন, এডভোকেট সাঈদুর রহমান, বেবি জামান, বিপ্লব হোসেন বাবু, হামিদুল ইসলাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের খালিশপুর থানা সভাপতি জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠিত হলে মা-বোনদের ইজ্জত আব্রু রক্ষা পাবে। নারীর অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত হবে। মানব রচিত আইনে বিগত ৫৪ রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে কিন্তু নারী সমাজের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, নিশ্চিত হয়নি। বরং রাষ্ট্রীয় মদদে নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। খুন-ধর্ষন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ হয়নি বরং ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি খুন-ধর্ষন এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ভুক্তভোগী কিংবা তার পরিবার ন্যায় বিচার পায়নি। বিচারের নামে তামাশা করা হয়েছে। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে খুন-ধর্ষন এবং নারী ও শিশু নির্যাতনসহ যেকোন অপরাধের ঘটনায় দ্রুত বিচারকার্য সম্পন্ন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button