দৌলতপুরে আইসক্রীম ফ্যাক্টরীতে বিএসটিআই’র অভিযান, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার : নগরীর দৌলতপুর (দিবা-নৈশ) কলেজ রোডে অবস্থিত কুল টাচ আইসক্রীম ফ্যাক্টরিতে খুলনা ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই’র) ‘ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন, ২০১৮’ এবং আইন ২০১৮’ এর আওতায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
খুলনা বিএসটিআই অফিস সুত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট প্রিয়াঙ্কা রাণী কুন্ডু’র নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে বিএসটিআইয়ের ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো: তারিকুল ইসলাম সুমন দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে স্যাঁতসেঁতে নোংরা ও অনিরাপদ পরিবেশে শিশু, বয়স্ক ও স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী সকলের প্রিয় খাদ্য আইসক্রিম প্রস্তুত করছেন। যেখানে ব্যবহার করা হচ্ছে নানা ধরনের ক্ষতিকারক কেমিক্যাল পদার্থ। ইতিপূর্বেও ভোক্তা অধিকারসহ খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণে খুলনা বিএসটিআই অভিযান পরিচালনা করলেও কোম্পানী সংশোধন হননি। ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ব্যতীত ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বিহীন পরিচালিত করে আসছে আইসক্রিম ফ্যাক্টরি। যার উৎপাদিত আইসক্রিম শহর, মফস্বল ও গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্কুল পড়ুয়া বাচ্চাদের প্রিয় খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যা খেয়ে পেটের পীড়াসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতীত আইসক্রীম পণ্যের লেবেল/মোড়কে অবৈধভাবে গুণগত মানচিহ্ন ব্যবহারপূর্বক বিক্রয়- বিতরণ করায় বিএসটিআই’র আইন-২০১৮” এর ১৫/২৭ ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনুরূপ জ্বালানি ও ভোজ্য তেলের অবৈধ মজুদ প্রতিরোধ এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে খুলনা জেলা প্রশাসন, র্যাব-৬ এবং বিএসটিআই-এর সমন্বয়ে একটি যৌথ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে খুলনা মহানগরীর বড়বাজার এলাকায় বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র, গুদাম এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে জ্বালানি ও ভোজ্য তেলের মজুদ, সংরক্ষণ পদ্ধতি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের রসিদ এবং প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালা অনুসরণের বিষয়সমূহ নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হয়। পরিদর্শনকালে কিছু প্রতিষ্ঠানে সামান্য অসংগতি পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্টদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধনের জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম পরিহারের জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি, ব্যবসায়ীদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রয়, সঠিকভাবে মজুদ সংরক্ষণ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে সচেতন করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


