স্থানীয় সংবাদ

কোন কারণ ছাড়াই জামায়াতে নেতা-কর্মীদের উপর হামলা ভাঙচুর ও গুলি বর্ষণ করেছে সন্ত্রাসীরা

# সংবাদ সম্মলনে সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হকের অভিযোগ #

যশোর ব্যুরো ঃ যশোর মণিরামপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা কোন কারন ছাড়াই জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর দু’ দফা হামলা, ভাংচুর ও গুলি বর্ষণ করেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হকসহ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। ১ মে শুক্রবার প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলনের তিনি এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো অভিযোগ করা হয়, মণিরামপুর বাজারের মসজিদের পূর্ব পাশে তার (এমপি) বাসভবনের নিচে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল গাজী, সাইদুল ইসলাম ও এজাজুলের নেতৃত্বে মামুন, মাসুদ, সফিয়ার, কামরুল, সিরাজসহ বিএনপির ৩০/৪০ জন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তাদের কয়েকজন নেতাকর্মীকে জখম করে। তারা মাটির নিলামের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে নিজেরাই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে বিএনপির সন্ত্রাসীরা একটি মিছিল করে। সে সময় মিছিল থেকে হামলা চালিয়ে তাদের সংগঠনের উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি আহসান হাবিব লিটন, জেলা শাখার শুরা সদস্য মাওলানা মহিউল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার ফারুক হোসেন রেজাল্টসহ ১৫-২০ জনকে আহত করে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, এ বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলে তারা ঢিলেঢালা মনোভাব দেখায়। পরে জামায়াতে ইসলামীর অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধে সে কর্মসূচি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা কর্মীরা।রাত সাড়ে দশটার দিকে তাদের নেতাকর্মীরা বাড়ি ফিরে যাচ্ছিলেন। মনিরামপুর হাসপাতালে সামনে পৌঁছালে ফের তাদের উপর আক্রমণ চালানো হয়। সেখানে নায়েবে আমির মাওলানা লিয়াকত আলীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করা হয়। কিন্তু গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে আনাস নামে এককর্মীর পায়ে বিদ্ধ হয়। লিয়াকত আলীকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে যখন করা হয়। আবু তালহা ও আব্দুল মুমিন নামে দুই কর্মীকে পিটিয়ে তাদের পা ভেঙে দেয়।
সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বলেছেন, এই ঘটনায় বিএনপি চিহ্নিত নামধারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে আটক করতে হবে এবং ভাঙচুরকৃত জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তাদের দাবি না মানলে পরবর্তী যেকোনো পরিস্থিতির দায় প্রশাসনকে নিতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের জেলা শাখার সহকারি সেক্রেটারি অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস, প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন, মনিরামপুর উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির অধ্যাপক ফজলুল হক, সেক্রেটারি অধ্যাপক খলিলুর রহমান, আবু সালের মোঃ ওবায়দুল্লাহ, আব্দুল্লাহ মোড়ল, গাজী মকিতুল হক, অ্যাডভোকেট তাজউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button