স্থানীয় সংবাদ

নিখোজ বড় বাজারের ব্যবসায়ীর সন্ধান পেতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

নিখোজ বড় বাজারের ব্যবসায়ীর
সন্ধান পেতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ রিপোর্টার ঃ বড় বাজারের ব্যবসায়ী শংকর সাহা অরবিন্দু তার প্রথম পক্ষের সন্তান কর্তৃক অপহৃত হয়েছেন বলে অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার দ্বিতীয় স্ত্রী। সোমবার খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন দ্বিতীয় স্ত্রী অনামিকা দাস (পপি)। এ বিষয়ে খুলনার সিএমএম আদালতে একটি অপহরন মামলাও চলমান রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে অনামিকা দাস (পপি) অভিযোগ করেন, কালী শংকর সাহা অরবিন্দুর প্রথম স্ত্রী মারা গেছেন চার বছর। তার এক ছেলে চিকিৎসক হিমেল সাহা দিঘলিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত রয়েছে। এক মেয়ে বিদেশে থাকে। কিন্তু তার ছেলে তাকে দেখাশোনা করে না। তার খাওয়া দাওয়ার সমস্যা হয়। এমনকি তাকে শারিরীক ভাবে মারধর করে হিমেল ও পুত্রবধূ তন্নী দেবনাথ। তারা এতটাই বেপড়োয়া যে তার বড় বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়েও তাকে মারধর ও বাজে কথা বলে। তার স্বামী কালী শংকর সাহা অরবিন্দু তাকে গত ৮ এপ্রিল হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী রেজিষ্ট্রি করে বিবাহ করে। এর পরপরই তার প্রথম ঘরের সন্তান হিমেল ও পূত্রবধূ তন্নী তার উপর অত্যাচার শুরু করে। আমাকে বাড়ি ঢুকতে দেয় না। রাস্তাঘাটে ও ফোনে নানাভাবে অপমান ও হুমকি ধামকি দিতে থাকে।
গত ১৬ এপ্রিল আমার স্বামী শংকর সাহা অরবিন্দু আমাকে ফোন দিয়ে বলে তার ছেলে ও পুত্রবধূ তার ফোন কেড়ে নিচ্ছে এবং তাকে খুলনা থেকে জোর করে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছে। বিদেশে থাকা তার একমাত্র কন্যার নিকট পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এরপর থেকে আমরা তাকে আর ফোনে পাচ্ছি না। তার বাড়িতে গেলেও তার খোঁজ খবর কেউ দিতে পারছে না। আমরা খুলনা থানায় অভিযোগ জানালে সদর থানা পুলিশ অজ্ঞাত কারনে আমাদের অভিযোগ গ্রহন করতে অস্বীকার করেন। পরে আমরা বিজ্ঞ আদালতের শরনাপন্ন হয়। আদালত আমাদের মামলা গ্রহন করে সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করে। খুলনা সিএমএম আদালতে গত ২২ এপ্রিল এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং সি আর-৯৪১/২৬। মহামান্য আদালতের নির্দেশে খুলনা সদর থানা পুলিশ তদন্ত শরু করে। কিন্তু খুলনা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্তে এসে দায় সারা তদন্ত করে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না মর্মে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button