প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর যে মানবিক বার্তা দিয়েছে সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে – মঞ্জু

# হোটেল রেস্তোঁরা মালিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা মহানগরী এলাকায় অবস্থিত সকল রেস্টুরেন্ট, আবাসিক হোটেল ও ক্যাফেগুলিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথকভাবে র্যাম্প ও টয়লেট স্থাপন করার বিষয়ে হোটেল রেস্তোরা মালিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা বৃহস্পতিবার বিকেলে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। স্থানীয় সরকার বিভাগের পত্রের আলোকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক এ সভার আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রধানমন্ত্রী আমাদের একটি মানবিক বার্তা দিয়েছেন। বার্তাটি হচ্ছে সকল হোটেল রেস্তরায় তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা। আমাদের দায়িত্ববোধ থেকে সেই বার্তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এই শহরে যারা বসবাস করেন তাদের জন্য আমাদের করণীয় আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নগরীকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা একটি নতুন পরিকল্পনা তৈরী করছি। নতুন এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বর্জ্য অপসারণ ও জলাবদ্ধতা নিরসন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জলাবদ্ধতার কারণসমূহ ইতোমধ্যে চিহ্নিত করেছি এবং কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। এ বছর পুরোপুরি সফল হতে না পারলেও আগামী বছর জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হতে পারবো বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সাথে তিনি সকালে দোকানের বর্জ্য রাস্তায় না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে কেসিসি’র কাজে সহযোগিতা করার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান। উল্লেখ্য, গত ১৩ মে ২০২৬ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা ও সেবা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন মোতাবেক দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত সকল রেষ্ট্রুরেন্ট, আবাসিক হোটেল ও ক্যাফেগুলিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য পৃথকভাবে র্যাম্প নির্মাণ ও টয়লেট স্থাপন যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যে সকল রেষ্টুরেন্ট, আবাসিক হোটেল ও ক্যাফে উল্লিখিত অনুশাসন পালনে ব্যর্থ হবে সে সকল রেষ্টুরেন্ট, আবাসিক হোটেল ও ক্যাফেগুলির ট্রেড লাইসেন্স বাতিল অথবা নবায়ন বন্ধ রাখতে হবে বলে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মো: মনিরুজ্জামান রহিম, লাইসেন্স অফিসার খান হাবিবুর রহমান, হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির মহাসচিব ওমর ফারুক, হোটেল নগর-এর সত্ত্বাধিকারী রহিবউল ইসলাম রানা, ফুড আড্ডা রেস্ট্রুরেন্ট-এর সত্ত্বাধিকারী মো: সজিব, শিমুল হোটেল এন্ড রেস্ট্রুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী মো: হালিম শেখ সহ বিভিন্ন হোটেল রেস্তরার স্বত্ত্বাধিকারীগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।



