শ্যামনগর বুড়িগোয়ালিনী খোলপাটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙ্গন, প্লাবনের শঙ্কায় ১০ গ্রাম

শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) থেকে আইয়ুব আলী : শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন এর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাদিয়া এলাকায় খোলপাটুয়া নদীর পানি রক্ষা বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত বুধবার (২০ মে) সকালে শুরু হওয়া এই ভাঙনে প্রায় ২৫০ ফুট এলাকা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদিয়া এলাকার দূর্গাবাটী মন্দির সংলগ্ন নদীর চরে হঠাৎ করেই তীব্র ভাঙন শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে নদীর স্রোত ও জোয়ারের তীব্রতায় ভাঙন আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। এদিকে বুধবার সকাল থেকেই বিএনপি নেতা ও সাবেক সেনা সদস্য, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী জিএম রুস্তম আলী ঘটনাস্থলে অবস্থান করে ভাঙনরোধ কার্যক্রম তদারকি করছেন। তিনি জানান, “ড. মোঃ মনিরুজ্জামানের নির্দেশে আমরা সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, যুবদলের সদস্য সচিব হেলাল উদ্দিন, যুগ্ন আহ্বায়ক অহিদুজ্জামান ও স্থানীয় ৬ নাম্বার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ আইয়ুব আলী।
এই অংশ দিয়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে অন্তত ৮ থেকে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হবে। এতে হাজার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি, মাছের ঘের ও বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।”
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য নীলকান্ত রফতান বলেন, “দূর্গাবাটী মন্দির সংলগ্ন মাদিয়া এলাকায় যেভাবে নদীর চরে ভাঙন শুরু হয়েছে, দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্যোগ দেখা দেবে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বহু এলাকা নদীর নোনা পানিতে তলিয়ে গিয়ে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের দাবি, উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।



