খালিশপুর থানা পুলিশের অভিযানে চার চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার আটক দুই

# চুরি মামলার প্রধান আসামির বিরুদ্ধে রয়েছে ১২টি মামলা #
স্টাফ রিপোর্টার : কেএমপি, খালিশপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চারটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আকবার হোসেন মুন্না (২৬)। ও রাব্বি(২০) গ্রেপ্তারকৃত মধ্যে চুরি মামলার প্রধান আসামি আকবর হোসেন মুন্নার বিরুদ্ধে পুলিশি রেকর্ড অনুযায়ী তার নামে ১২টি চুরির মামলা রয়েছে। জানাযায়, খালিশপুর থানায় একটি চুরির মামলা তদন্তর অংশ হিসেবে খালিশপুর থানার একটি একটি চৌকস টিম এসআই মোঃ ইসতিয়াক আহমেদ সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ খুলনাসহ তার আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময়ে গেল ২৫ অক্টোবর রাত আনুমানিক পৌনে চারটায় বটিয়াঘাটা থানার শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি আকবর হোসেন মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় নিজ বাসা থেকে সকাল পৌনে নয়টায় রাব্বি (২০) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময়ে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য এবং আকবর হোসেন মুন্নার দেখানো ও শনাক্তকরণের ভিত্তিতে ফকিরহাট থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি, একটি নীল রঙের সুজুকি জিক্সার, একটি লাল রঙের হোন্ডা লিভো এবং একটি নীল রঙের এফজেড ভার্সন ফোর। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া চারটি মোটরসাইকেলের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে মামলার চোরাই মোটরসাইকেল হিসেবে শনাক্ত বাজাজ পালসারটির আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিষয়টি নিয়ে খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহজাহান আহমেদ বলেন, একটি চুরি মামলার তদন্ত করতে যেয়ে আমরা বিশাল একটি চোর সিন্ডিকেটকে আইনের আওতায় আনতে পেরেছি। এছাড়া পলাতক আসামি তারিকুল ইসলাম চঞ্চলকে (৩০) গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আমরা উদ্ধার হওয়া বাকি মোটরসাইকেলগুলোর মালিকানা যাচাই ও প্রকৃত মালিকদের শনাক্ত করার কার্যক্রম পরিচালনা করছি । গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।



