ভোলায় বিপৎসীমার ওপরে মেঘনার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ ভোলায় অতি জোয়ারের প্রভাবে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে মেঘনা নদীর পানি। এতে বেড়িবাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন মনপুরা উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে জোয়ার আসতে শুরু করে এবং প্লাবিত হতে থাকে বেড়িবাঁধের বাইরের মনপুরার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল। এছাড়া তলিয়ে গেছে রামনেওয়াজ লঞ্চঘাটের এপ্রোচ সড়ক।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জোয়ারের পানিতে মনপুরা উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ এলাকার ষাট কলনি ও কলাতলি ইউনিয়নের অন্তত ৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের বাইরের কয়েকশত পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। মনপুরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ষাটকলোনি এলাকার বাসিন্দা আনোয়ারা বেগম, বাবুল ও ইউনুস বলেন, মেঘনা নদীর পানি এখন আমাদের উঠানে বুক সমান হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে আমাদের বাড়ির উঠান ও আশপাশ। বসতঘরের মধ্যেও প্রায় ২ হাত পানি। কেউ কেউ ঘরের খাটের উপর আশ্রয় নিয়েছেন আবার কেউ কেউ পানির মধ্য দিয়ে অন্যত্র সড়ে গিয়েছেন। আমরা আমাদের সন্তানসহ গবাদিপশু নিয়ে বিপদে পড়েছি। কখন পানি কমবে এখন সে অপেক্ষায় আছি। ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন আরিফ বলেন, অমাবস্যার জোয়ারের প্রভাবে মেঘনা নদীর পানি দৌলতখান উপজেলা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অমাবস্যার প্রভাব আজ থেকে কেটে যাবে এবং উজানের পানির চাপ না থাকলে হয়তো আগামীকাল থেকে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করবে না। ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা বলেন, মনপুরা পয়েন্টে অমাবস্যার প্রভাবে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বেড়িবাঁধের বাইরের কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত পানি নেমে যাবে। সন্ধ্যা ৬টার পর জানা যাবে মনপুরা অংশে কতমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।



