যশোর সদর পুলিশ ফাঁড়ীর অভিযানে ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি

প্রবাহে সংবাদ প্রকাশে পুলিশ প্রশাসনে তোলপাড়
মোঃ মোকাদ্দেছুর রহমান রকি যশোর থেকে ঃ মদ সেবনকারী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রাণ নাশের আশংকা ও যশোরে পুলিশ এবং মাদকদ্রব্য বিভাগ থাকা সত্ত্বেও খোদ শহরে আবারো অবাধে মদ ও স্পিরিট বেচাকেনা হচ্ছে শিরোনামে দৈনিক প্রবাহে সংবাদ প্রকাশের খবরে সদর পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক রোকিবুজ্জামান নড়ে চড়ে বসেছে। প্রকাশিত খবরে মদ ও স্পিরিপট বিক্রেতা এবং পুলিশের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছেন। প্রকাশিত খবরে সদর পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ হতবাক হয়ে ১৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ফাঁড়ীতে কর্মরত একদল পুলিশ নিয়ে অবৈধ মদ ও স্পিরিট বেচাকেনা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন। এদিকে,সদর পুলিশ ফাঁড়ীর অভিযানের খবর আগে বাগেই মদ ও স্পিরিট বিক্রেতা পেয়ে তারা আত্মগোপনে চলে গেছেন। যার ফলে সন্ধ্যায় সদর পুলিশ ফাঁড়ীর অভিযান তেমন সফলতা পায়নি। তবে ওই ফাঁড়ীর ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, যশোর শহরের বাবু বাজার পতিতালয়ের সামনে ও মাড়–য়াড়ী মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের সামনে যারা অবৈধভাবে মদ বেচাকেনা করেন তাদেরকে গ্রেফতারের অভিযান আজ ১৩ ডিসেম্বর থেকে অব্যাহত থাকবে। তিনি গোটা বাজার এলাকায় কোন মাদক বেচাকেনার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালাবে। মাদকের সাথে সদর পুলিশ ফাঁড়ীর কোন সখ্যতা থাকতে পারে না। যারা মদ ও স্পিরিট বেচাকেনা করবে তাদেরকে আইনে আওতায় আনা হবে। বিভিন্ন সূত্রগুলো বলেছেন,বুধবার ১৩ ডিসেম্বর অত্র পত্রিকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীতায় শহরের বড় বাজারের কয়েকটি স্থানে অবাধে বিষাক্ত মদ বেচাকেনা রীরিমত বাজারের ব্যবসায়ীদের সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত সংবাদে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। প্রকাশিত খবরের সাথে সাথে শহরের বড় বাজারের বাবু বাজার,মাড়–য়াড়ী মন্দির সংলগ্ন পতিতালয়ের সামনে পৌরসভা নবনির্মিত মার্কেটের সামনে হরিজন পল্লীতে মদ ও স্পিরিটসহ মাদকদ্রব্য বিক্রেতারা চরম সর্তকতা অবলম্বন শুরু করে। বুধবার সকাল থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহকৃত মদ রাখার স্থান পরিবর্তন করে তা মোবাইলের মাধ্যমে সেবনকারীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে শুরু করেছে। মদ বিক্রেতারা সকাল থেকে আত্মগোপনে চলে গেছেন। বুধবার সকাল থেকে তাদেরকে আর বাজার এলাকায় একবার দেখা মেলার পর আর দেখা যাচ্ছেনা বলে বাজারের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছেন। বাজারের ব্যবসায়ীরা আরো জানিয়েছেন, মদ বিক্রেতারা চুক্তিবদ্ধ মাদকদ্রব্য বিভাগের ও পুলিশের কতিপয় সদস্যদের মাধ্যমে অভিযানের খবর আগে বাগে পেয়ে গেছেন। তাই থেকে গেছেন ধরা ছোয়ার বাইরে। সদর পুলিশ ফাঁড়ী কর্তৃক খবরের ভিত্তিতে অবৈধভাবে মদ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর ফলে বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযানের খবর মদ সেবনকারীদের পরিবারের কাছে পৌছানোর পর তারাও পুলিশের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। বাজারের ব্যবসায়ী ও মদ সেবনকারীদের পরিবারের সদস্যরা সদর পুুলিশ ফাঁড়ীর অভিযান অব্যাহত রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন। সদর পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক রোকিবুজ্জামান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ সর্বদা সোচ্চার। যারা অবৈধভাবে মাদক বেচাকেনা করবে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হবে। তিনি যতদিন এই ফাঁড়ীতে কর্মরত থাকবেন ততদিন কোন মাদক ব্যবসায়ী অবৈধভাবে তাদের কারবার চালাতে পারবেনা।


