স্থানীয় সংবাদ

লুটেরা হাসিনা ও তাদের দোসররা খালিশপুর শিল্পাঞ্চলকে শ্মশাণে পরিণত করেছে

# প্লাটিনাম জুবলি জুট মিলস লিঃ শ্রমিকদের মানববন্ধনে তুহিন #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে ২০২০ সালের ১ জুলাই খুলনা, চট্টগ্রাম ও ঢাকা অঞ্চলের সব পাটকল বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছিলেন, ৬ মাসের মধ্যে এ মিলগুলো আবারও উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা হবে। কিন্তু আর বন্ধ মিলগুলো চালু করা হয়নি। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পাটকল বন্ধ করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমজীবী মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছেন। শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হলেও তাঁদের ন্যায্য হিসাব সঠিকভাবে পরিশোধ করা হয়নি। মিল কর্তৃপক্ষের কাছে এখনো শ্রমিকদের পাওনা রয়েছে। কাজ হারিয়ে শ্রমিকেরা আজ পথে পথে ঘুরছেন, পরিবার-পরিজন নিয়ে অর্ধাহার-অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। খুলনা-যশোর অঞ্চলের শ্রমিকনেতারা অবিলম্বে বিজেএমসির নিয়ন্ত্রণাধীন বন্ধ করা ২৬টি পাটকল আবার চালুর জন্য অন্তর্র্বতী সরকারের কাছে জোর দাবি জানান।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে পতিত সরকার প্রধান শেখ হাসিনা কর্তৃক বন্ধকৃত রাষ্ট্রয়ত্ত্ব পাটকল রাষ্ট্রীয়ভাবে চালু ও টেন্ডারের নামে লুটপাট বন্ধের দাবিতে খুলনা নগরীর খালিশপুরে প্লাটিনাম জুবলি জুট মিলস লিঃ শ্রমিকদের মানববন্ধন কর্মসুচিতে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বিগত ১৬ বছরে লুটেরা হাসিনা সরকার ও তাদের দোসররা লুটপাট করে খালিশপুর শিল্পাঞ্চলকে শ্মশাণে পরিণত করেছে। এক সময়ে খুলনার নাম উঠলেই আরেকটি শব্দ যুক্ত হতো, সেটি হলো শিল্পনগরী খুলনা। কিন্তু সেই শিল্পনগরী এখন বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে। বিগত ১৬ বছরের দুঃশাসন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিতে ধ্বংস হয়ে গেছে রূপসা-ভৈরব তীরের চিরচেনা শিল্প নগরী। যেখানে ২৪ ঘণ্টা শ্রমিক-কর্মচারীর কোলাহলে মুখর থাকত। আজ সেই সব জায়গায় সুনসান নীরবতা। সরকারের ভ্রান্তনীতি, অনিয়ম, দুঃশাসন, সীমাহীন লুটপাটের প্রতিচ্ছবি যেন এটি।। শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পই নয়, ধ্বংস হয়ে গেছে বেসরকারি ব্যবস্থায় গড়ে উঠা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
খালিশপুর প্লাটিনাম জুবলি জুট মিল গেটে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পাট শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি আবুল কালাম জিয়া। বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা, খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী। বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, স.ম আব্দুর রহমান, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, মোহাম্মদ নুরুল হক, শেখ শাহিনুল ইসলাম পাখি, কাজী ইকরাম মিন্টু, জাহাঙ্গীর হোসেন, গাজী সালাউদ্দিন, আবুল কালাম, আলমগীর তালুকদার, মাসুম বিল্লাহ, অধ্যক্ষ শহিদুল আলম বাবুল, জাহিদুর রহমান রিপন, নাজমুল হাসান বাবু, নুরুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, আফজাল হোসেন,ফারুক হোসেন, সরোয়ার হোসেন প্রমূখ।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button