অবশেষে দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তাকে বদলি

# দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রায় ছয় মাস কর্মরত ছিলেন #
স্টাফ রিপোর্টার : অবশেষে দৌলতপুরের বারাকপুর ( মহেশ্বরপাশা) ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মোঃ জালাল হোসেনকে বদলী করা হয়েছে। গত ২৮ জুলাই ২০২৫ ঢাকার তিনটি জাতীয় পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশনের পর ও দিঘলিয়া উপজেলা ইউনিয়ন ভূমি (মহেশ্বরপাশা) অফিসের সহকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়রানি, দুর্নীতি, ঘুষ ও অনিয়মের ব্যবস্থা নিতে ভুক্তভোগীরা লিখিত আবেদন করেছেন জেলা প্রশাসক, দিঘলিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি)। অভিযোগের অনুলিপি প্রদান করেছেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিঘলিয়া, দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনাকে এর পর সবাই নড়েচরে বসেছে।দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রায় ছয় মাস অবস্থানের পরে ২১আগস্ট বৃহস্পতিবার ২৫-১৮৭১(১৩) নং স্বারকে খুলনার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সাইফুন্নাহার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে মোঃ জালাল হোসেনকে মহেশ্বরপাশা (বারাকপুর ইউনিয়ন) ভূমি অফিসে থেকে কয়রা উপজেলার মদিনা বাদ ইউনিয়ন ভূমি অফিস খুলনায় বদলি করা হয়েছে। তার ( জালাল হোসেন ) স্থলে আসছেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আবুল হাসানাত । মহেশ্বরপাশা সহ ইউনিয়নের সকল মৌজার জনগন খুলনা জেলা প্রশাসক’র প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা ভূমি অফিস অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে। এ অঞ্চলের সাধারন জনগণ তহশিলদারের নিকট জিম্মি। সকল অভিযোগের তীর তহসিলদার জালাল হোসেন’র দিকে। খুলনা দিঘলিয়ার বারাকপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অধীনে কর্মসম্পাদন করে মহেশ্বরপাশা কালীবাড়ি ক্যাম্প’। প্রতি অর্থ বছরে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আহরিত হয় এ ভুমি অফিস থেকে। ভুক্তভোগী ও সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, জন ভোগান্তির আরেক নাম বারাকপুর ভূমি (তহসিল) অফিস। মহেশ্বরপাশা (বারাকপুর ইউনিয়ন) তুমি অফিসে টাকা ছাড়া মিলে না কোন সেবা। এখানে মহেশ্বরপাশা মৌজা, তেলিগাতী মৌজা, যোগীপোল মৌজা ও মিরেরডাঙ্গা মৌজার খাজনা দাখিলা, নামজারি রিপোর্ট সহ যাবতীয় কাজ করে। সরেজমিনে দেখা যায়, শনিবার বন্ধের দিন অফিস করছে বারাকপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা মোঃ জালাল হোসেন । অন্য কর্মচারীদের আসতে নিষেধ করেন। বন্ধের দিন তিনি রাত পর্যন্ত অফিস করেন। তবে তখন কোন সাধারণ গ্রাহক বা সেবা প্রত্যাশীরা আসেন না। সেদিন শুধু নিজস্ব নির্ধারিত টোকেন প্রাপ্ত ও তার নিজস্ব দালালদের (পেন্ডিং) অসমাপ্ত কাজগুলো মোটা অংকের (উৎকোচ) আর্থিক সুবিধা নিয়ে সম্পূর্ণ করে থাকেন। খাজনা থেকে শুরু করে নাম পত্তন কেস গুলোতে হচ্ছে দুর্নীতি। ইতিপূর্বে তসিলদার জালাল হোসেন ডুমুরিয়া উপজেলা থুকড়ো থেকে জন রোষে কারনে বদলি করা হয়েছিল দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। এ বিষয়ে খুলনার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সাইফুন্নাহার জানান, বদলি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া তবে তার বিরুদ্ধে পত্রিকার লেখা ও অভিযোগের তদন্ত চলছে।



