বাগেরহাটের ৪টি নির্বাচনী আসন পুর্নবহালের দাবিতে পুর্ব-ঘোষণা দিয়ে রাষ্ট্রীয় অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন

বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ বাগেরহাটের ৪টি নির্বাচনী আসন পুর্নবহালের দাবিতে পূর্ব-ঘোষনা দিয়ে রাষ্ট্রীয় অফিস ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ব্যানারে বিএনপি-জামায়াত। রবিবার সকাল থেকে এ কর্মসুচী পালন করায় জেলা কালেক্টরেটসহ সকল অফিসের কার্য্যক্রম মুলত স্থ^বির হয়ে পড়ে। কোন আপত্তি বা অভিযোগ ছাড়াই নির্বাচন কমিশন জেলার ৪ টি নির্বাচনি আসনের মধ্যে ১ টি কমিয়ে ৩ টি করার পর থেকে বাগেরহাটে শুরু করা হয়েছে আন্দোলন। বিএনপি- ও জামায়াতের উদ্যোগে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি জেলার সকল উপজেলায় আন্দোলন কমিটি করে দাবী আদায়ে এ আন্দোলন কর্মসুচী পালন করা হচ্ছে। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রবিবার- জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সকল সরকারি অফিস ও আদালত ঘেরাও ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। এরপর সোমবার থেকে বুধবার ৩ দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা হরতাল পালন করার ঘোষনা রয়েছে। তবে রাতে সড়ক চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। শনিবার বিকেলে ৪ দিনের এ নতুন কর্মসূচি পালনের সমর্থনে জেলা-উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি জামায়াতসহ সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির কো-কনভেনর এম.এ সালাম এই ৪ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, বাগেরহাটে ৪টি সংসদীয় আসন বহাল রাখার আন্দোলন কোনো দলের নয়, এটি বাগেরহাটের জনস্বার্থের আন্দোলন। আমাদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য আমরা শেষ পর্যন্ত রাজপথে থাকব। উল্লেখ্য, ত্রোয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ কারিগরি কমিটি গত ৩০ জুলাই খসড়া প্রস্তাবে বাগেরহাট জেলার ৪টি আসনের মধ্যে একটি কমিয়ে ৩টি রাখার প্রস্তাব দেয়। এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনগুলো নির্বাচন কমিশনের শুনানিতেও অংশগ্রহণ করেন। কিন্তুু তাদের দাবিকে উপেক্ষা করে গত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত গেজেটে বাগেরহাটে একটি আসন কমিয়ে তিনটি আসন রাখাসহ নিজেদের খসড়া প্রস্তাবে সম্পূর্ণ পাল্টে দিয়ে আসনের সীমানা নির্ধারণ করে। আসন্ন দুগা পুজায় এখানের ব্যবসায়ীদের চরম ক্ষতির মধ্যে ইসির এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাগেরহাটের রাজনৈতিক দলগুূলির আহবানে লাগাতার আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।



