লবণচরায় চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার : নিহতদের দাফন সম্পন্ন, মামলা হয়নি

উদঘাটন হয়নি ক্লু, সন্দেহ জমি নিয়ে বিরোধে
স্টাফ রিপোর্টার ঃ নগরীর লবনচরা থানাধীন টুটপাড়া দরবেশ মোল্লার গলিতে চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডার সংগঠিত হলেও এখনও মামলা হয়নি। এছাড়া কে বা কারা হত্যার সাথে জড়িত তা জানা যায়নি। আটকও হয়নি কেউ। এমনকি হত্যাকান্ডের কোন ক্লুও উদঘাটন করা যায়নি। তবে, জমি-জমা নিয়ে আত্মীয়দের সঙ্গে বিরোধ নিয়ে সন্দেহ করা হচ্ছে। ঘটনার পর সিআইডির একটি টিম ঘটনাস্থালে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে। পাশাপাশি ডিবি, র্যাব, পিআইবিসহ পুলিশের একাধিক সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পুলিশের পাশাপাশি এসব সংস্থা গুলো ছায়া তদন্ত করছে । এদিকে বৃদ্ধা মহিদুন্নেছা (৫৫)সহ দুটি ছোট অবুঝ নিস্পাপ শিশু মুস্তাকিম আহমেদ (৮) ও ফাতিয়া আহমেদ (৭) দাফন সম্পুর্ণ হয়েছে। গতকাল সোমবার নিহতদের ময়নাতদন্ত শেষ হলে রূপসা উপজেলার বাগমারা এলাকার আল আকসা জামে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে তাদেরকে ওই গ্রামে দাফন করা হয় বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী আরও জানায়, রুবিয়া আক্তার দম্পত্তি দু’জনেই চাকরীজীবী। তারা সকালে দু’জনে কর্মের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। রুবিয়া আক্তার বাগেরহাট জেলার রামপার উপজেলার ভুমি অফিসে কর্মরত আছেন। তার স্বামী শেফার আহমেদ খুলনা চেম্বার অফ কমার্সে কর্মরত। অবুঝ দুই ছেলে-মেয়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। দুপুরে শেফার আহমেদ তাদের বাচ্চা দু’টিতে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে দিয়ে চলে যান। সন্ধার পর রুবি আক্তার কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরে এসে বাড়ির গেটে একাধিকবার তার মাকে ডাকতে থাকে। কিন্তু ভেতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে তিনি পেছন থেকে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে সবকিছু এলোমেলো দেখতে পেয়ে চিৎকার করেন। এ দিকে জনশ্রুিত ও গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে বাড়ির পেছনে একটি রাস্তা রয়েছে ওই রাস্তা দিয়ে লোহার ওপর চটের বস্তা দিয়ে হত্যাকারীরা প্রবেশ করতে পারে প্রথমে নানী সাহিদুন্নেছাকে ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। পরবর্তীতে ওই শিশু ুদইজন হত্যাকারীদের চিনে ফেলায় তাদেরও নির্মম ভাবে হত্যা করে খুনীরা।
এ বিষয়ে লবনচরা থানার অফিসার ইনচার্জ হাওলাদার সানোয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, শিশুসহ নিহত তিনজনের ময়না তদন্ত করে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শিশুদের বাবা-মা শারিরিক ভাবে একটু অসুস্থ- ক্লান্ত। থানায় আসেনি। আমরা মামলা করার জন্য পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। সকালে মামলা রুজু হবে। খুনিদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।



