অভিনেতা সেন্টুর বাসায় ভাঙচুর ও চুরির অভিযোগ

প্রবাহ বিনোদন: শুটিংয়ের কাজে ঢাকার বাইরে থাকার সুযোগে রাজধানীর রামপুরায় ভাড়া বাসায় ভাঙচুর ও চুরির শিকার হয়েছেন তরুণ অভিনেতা আব্দুল্লাহ আল সেন্টু। বাসায় ফিরে তিনি দেখেন, ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো এবং একাধিক মূল্যবান সামগ্রী নেই। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
অভিযোগে বলা হয়েছে, শুটিংয়ের কাজে ২৫ জানুয়ারি রোববার বিকেলে মানিকগঞ্জে যান সেন্টু। কয়েক দিন পর ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ঢাকায় ফিরে দারোয়ানের সহায়তায় বাসার তালা খুলে ভেতরে ঢ়ুকেই তিনি চমকে যান। ঘরের ভেতর ভাঙচুরের চিহ্ন স্পষ্ট ছিল এবং গুরুত্বপূর্ণ অনেক জিনিস খোয়া গেছে।
সেন্টুর ভাষ্য অনুযায়ী, চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে একটি ২ টেরাবাইট হার্ডড্রাইভ, যেখানে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সিনেমার চূড়ান্ত ফুটেজ সংরক্ষিত ছিল। পাশাপাশি একটি ভিভো মোবাইল ফোন, সিলিং ফ্যান, গ্যাস কার্ড, চ্যানেল আই ডিজিটাল মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের ‘বেস্ট রাইজিং স্টার’ সম্মাননা স্মারক, কাপড়চোপড়, জুতা ও ইস্তিরিও নেই।
তিনি বলেন, “শুটিংয়ের জন্য ঢাকার বাইরে ছিলাম। ফিরে এসে দেখি বাসায় ভাঙচুর করা হয়েছে। থানায় ডাকাতির মামলা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি, লিখিত অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে।”
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, দারোয়ানের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, ২৫ জানুয়ারি রোববার সন্ধ্যার দিকে ১৫ থেকে ২০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বাসার তালা ভেঙে মালামাল নিয়ে যায়। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বাসার ভেতরের অবস্থা ভিডিও করে এবং নতুন তালা লাগিয়ে যায়।
সেন্টুর অভিযোগ, ঘটনার প্রায় পাঁচ দিন পার হলেও তাকে কেউ বিষয়টি জানাননি। তিনি দাবি করেন, বাসার মালিকের ভূমিকাও সন্দেহজনক। অভিযোগে বলা হয়, মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।
এ ঘটনায় অভিযোগপত্রে লিটন ও এনায়েত নামের দুজনের যোগসাজশের কথাও উল্লেখ করেছেন অভিনেতা। তার দাবি, ওই দুজনের সহযোগিতায় অজ্ঞাতনামা একটি দল বাসায় ভাঙচুর ও চুরি চালায়।
রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “অভিনেতার লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”



