স্থানীয় সংবাদ

নগরীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সফলের লক্ষ্যে এডভোকেসী সভা

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনা মহানগরীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ সফল করার লক্ষ্যে এক এডভোকেসী সভা রবিবার সকালে নগরীর শেরে বাংলা রোডস্থ নগর স্বাস্থ্য ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সভায় উত্থাপিত ত্রুটি-বিচ্যুতিসমূহ দ্রুত নিরসনের নির্দেশনা প্রদান করে বলেন, দায়িত্বশীলদের টিকাদান কেন্দ্রসমূহ পরিদর্শন করে যেখানে যে সহযোগিতা প্রয়োজন তা দ্রুততার সাথে সংযোজন এবং অবশিষ্ট সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রশাসক প্রয়োজনে প্রচার প্রচারণা আরো বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় ‘‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’’ আগামী ২০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত চলমান থাকবে। প্রথম ৮ (আট) কর্মদিবসে নগরীর বিভিন্ন ইপিআই (স্থায়ী ও অস্থায়ী) টিকাদান কেন্দ্রে এবং পরবর্তী ৬ (ছয়) কর্মদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে টিকা প্রদান কার্যক্রম চলমান থাকবে।
কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো: মুজিবুর রহমান, খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতালের পরিচালক ডা. শেখ আবু শাহীন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো: আখতারুজ্জামান, খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. এম এ আলী, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো: মিজানুর রহমান, ইউনিসেফ-এর ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিষ্ট ডা. তাপস কুমার হালদার, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় সমন্বয়কারী ডা. আরিফ ও এসআইএম নাজমুর রহমান সজিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশন-খুলনার পরিচালক মো: মহিউদ্দিন মজুমদার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মো: অহিদুল আলম, সদর থানা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: শাহজাহানসহ কেসিসি’র ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ সভায় বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম। মহানগরীতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন সফল করতে ৩১টি ওয়ার্ড এলাকা ৪টি জোনে বিভক্ত করে ৩’শ ৫৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ২’শ ৫৬টি টিকা কেন্দ্রে ৬২জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে ১’শ ৪৪জন টিকাদান কর্মী ও ২’শ ৬ জন স্বেচ্ছাসেবীর সমন্বয়ে গঠিত ৮২টি টীম এ কাজে নিয়োজিত থাকবে। ক্যাম্পেইনে ৬ মাস হতে ৫ বছরের কম বয়সী ৯৩ হাজার ৭’শ ৮৮জন শিশুকে ১ (এক) ডোজ হামের টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button