নৌবন্দর কার্যকারিতা হারালে খেসারত দিতে হবে

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ স্থানীয় সচেতন মহল মনে করে, নদী দখলের এই সিন্ডিকেট কতটা শক্তিশালী। ভৈরব নদকে বাঁচাতে হলে শুধু লোকদেখানো ‘মৌসুমি উচ্ছেদ’ বা অপরিকল্পিত ড্রেজিং নয়, প্রয়োজন মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান। অবৈধ দখলদারদের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক পরিচয় যাই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ না করলে অচিরেই দেশের অন্যতম বৃহৎ এই নৌবন্দরটি তার কার্যকারিতা হারাবে, যার খেসারত দিতে হবে পুরো দেশকে। এ প্রসঙ্গে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে বাংলানিউজকে বলেন, নওয়াপড়ার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌবন্দরে এ ধরনের অবৈধ স্থাপনা ও তীরভূমি দখল করে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। প্রশাসনের দায়িত্ব অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের এবং সব ধরনের বেআইনি স্থাপনা উচ্ছেদ করা। নদী কিংবা নদীর তীরভূমি দখল ও সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সঙ্গে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত উল্লেখ করে আশীষ কুমার দে বলেন, আমাদের নদী ও নৌবন্দরগুলোকে রক্ষা করতে হলে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা অপরিহার্য।



