গণরায় উপেক্ষা করার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না : মাওলানা আব্দুল আউয়াল

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ গণরায় উপেক্ষা করার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়াল , খলিফা, পীর সাহেব চরমোনাই (রহ)। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল গণরায়কে অবজ্ঞা করার কারণে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পাটাতনও নির্মিত হয়েছে গণরায়কে উপেক্ষা করার কারণে। ইতিহাস সাক্ষি জনরায় উপেক্ষা করার পরিণতি কখনোই ভালো হয় না। সেজন্য সরকারকে বলব, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন। আইনি মারপ্যাচ, কথার ফুলঝুরি ও রাজনৈতিক স্বার্থ বিবেচনায় গণভোটের রায় উপেক্ষা করবেন না।’
শনিবার (২৫ জুলাই ‘ ২৬) দুপুর ৩ টায় নগরীর গ্রান্ট দরবার পার্টি সেন্টারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর এর মজলিসে শুরার অধিবেশন ও নগর সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর এর সভাপতি আলহাজ্ব মুফতী আমানুল্লাহ এর সভাপতিত্বে ও নগর সেক্রেটারী মুফতী ইমরান হুসাইন এর পরিচালনায় শুরার অধিবেশন ও নগর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর যুগ্ম মহাসচিব হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মুফতী আহমদ আবদুল জলিল , প্রভাষক মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর যুগ্ম মহাসচিব শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন, ‘জুলাই সনদে বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দলগুলো স্বাক্ষর করেছিল। পরে সেই সনদের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ জারি করে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি গণভোটের বিরোধিতা করেনি; বরং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও একাধিকবার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন।’বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে অসততা ও শঠতা করবেন না। গণরায়কে সম্মান জানান এবং নির্বাচনের আগে যে রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছিলেন, তাতে অটল থাকুন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন হলে নেতা হিসেবে আপনি, দল হিসেবে বিএনপি এবং রাষ্ট্রÑসকলেই উপকৃত হবে।’ শুরার অধিবেশন ও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, আলহাজ্ব আবু তাহের, হাফেজ আব্দুল লতিফ, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওঃ দ্বীন ইসলাম, এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী মোঃ ইমরান হোসেন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ সাইফুল ইসলাম ভূইয়া, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা ইকবাল মাহমুদ,অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতী ইসহাক ফরীদি, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক গাজী ফেরদাউস সুমন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মঈন উদ্দিন ভূইয়া, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ কামাল হোসেন, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, মহিলা ও পরিবার কল্যাণ সম্পাদক কারী মোঃ জামাল উদ্দিন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওঃ নাসিম উদ্দিন, মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযুদ্ধা জিএম কিবরিয়া, সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক বন্দ সরোয়ার হোসেন, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ বাদশা খান , স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মারুফ হোসেন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম খালিদ সাইফুল্লাহ, সহ প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক মুফতী আমানুল্লাহ, সহ দপ্তর সম্পাদক এইচ এম আরিফুর রহমান, সহ অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক গাজী মিজানুর রহমান, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক মোঃ মঈন উদ্দিন, সদস্য আলহাজ্ব আব্দুস সালাম,আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম টুটুল মোড়ল, মোঃ শহিদুল ইসলাম সজিব, মোঃ কবির হোসেন হাওলাদার, আবুল কাশেম, মোঃ বাদশাহ খান, মোঃ মিরাজ মহাজন , শিক্ষক নেতা মাওলানা জিএম এমদাদুল হক, শ্রমিক নেতা মৌলভী গাজী আলআমিন,যুব নেতা মোঃ আব্দুর রশিদ, ছাত্র নেতা মোঃ হাবিবুল্লাহ মিসবাহ প্রমুখ। শুরার অধিবেশন ও সম্মেলনে আগামী ২০২৭/২৮ সেশনের জন্য আলহাজ্ব মুফতি মুফতী ইমরান হোসাইন কে সভাপতি ও মাওলানা দ্বীন ইসলাম কে সেক্রেটারী করে কমিটি ঘোষণা করা হয়



