গোয়ালখালী বিজিবি ক্যাম্প’র পিছনে দীর্ঘস্থায়ী জলবদ্ধতা

# সূর্যের তাপে বাস্পীভূত হবে জলাবদ্ধ পানি : ভুক্তভোগীদের ভরসা
# পানি জমে থাকায় মারা যাচ্ছে শত শত ফলজ বৃক্ষ
শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ কেসিসি’র ৯ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন গোয়ালখালী বিজিবি সেক্টরে পিছনে দির্ঘস্থায়ী জলবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টি হলেই তৈরি হচ্ছে জলবদ্ধতা। এছাড়া বর্ষার পানি যাওয়ার জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। আটকে থাকা এসব পানি ছয় থেকে আট মাস পর শুকিয়ে যায় সূর্যের তাপে। সূর্যের তাপে বাস্পীয়ভূত হয়ে যাবে এমনভাবে চলছে বছরের পর বছর। এর আগে একাধিকবার স্থানীয় বাসিন্দারা ড্রেনেজ ব্যবস্থা জন্য কেসিসি’র কাছে লিখিত আবেদন করলেও তা কোন দিন আলোর মুখ দেখেনি। এ বিষয়ে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা মসজিদের মুয়াজ্জিন মোঃ ঈমান আলীর সাথে তিনি বলেন, গেল সাত থেতে আট বছর যাবৎ বর্ষা মৌসুমে পানির মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে। আগে বর্ষার পানি বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন খালে প্রবেশ করত। তবে বেশ কয়েক বছর বিজিবি ক্যাম্প সীমানা প্রাচীর হতে পানি যাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে আমাদের স্থানীয়দের বর্ষা মৌসূমের পানি জলবদ্ধ থাকে মাসের পর মাস। এতে করে সব চেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে মলত্যাগ করতে। এছাড়া পানি জমে গৃহস্থালী ফলজ গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।আমরা আগে কয়েকবার তালুকদার যখন মেয়র ছিল তখনও ওয়ার্ড অফিসে চিঠি দিয়েছি কোন ব্যবস্থ্যা নেয়া হয়নি। এছাড়া গেল কয়েক মৌসূমের তুলনায় এবছর বেশি বর্ষা হচ্ছে। আমি মসজিদে আজান দিতে গেলে এসব দূষিত পানি ভিতর দিয়ে হেটে যেতে হয়। মসজিদে যেয়ে আবারও ওজু করে পাক হতে হয়। আমি কেসিসি’র সংশ্লিস্ট কর্মকর্তাদের ও প্রশাসকের প্রতি আহবান করছি আপনারা সরেজমিনে আসুন দেখেন আমাদের দুর্দশা আর ভোগান্তির চিত্র। একই কথা বলেন, ভুক্তভোগী রমিসা বেগম তিনি বলেন, বর্ষা হলেই পানি জমে। আর এই পানি বের হয়ে যাওয়ার কোন রাস্তা বা ড্রেন নেই। আমাদের দুটি গরু বারোটি ছাগল, হাঁস ,মুরগী কোথায় রাখবো এ নিয়ে চিন্তিত। পাশাপাশি বাড়ীর পাশে এ্যাডভোকেট রনি,ও বিল্লিদের বাগান নামে পরিচিত বিরাট বড় বাগান আছে যেখানে নারকেল, সুপারি, আম, কাঠাল, জামসহ বিভিন্ন ফলজ গাছ আছে। এই পানি জমে থাকায় কচুরি পানা হয়ে গেছে এতে করে ফলজ গাছ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছ্।ে বেশ কয়েকটি গাছ ইতোমধ্যে মারা গেছে। এছাড়া জানা গেছে স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তি নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য ড্রেনেজ কাজে গোপনে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ আছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ৯ নং ওয়ার্ড অফিসের প্রশাসক মোঃ ফয়সাল হোসেন বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। আপনারা একটি আবেদন করেন সাথে ছবি দিয়েন আমি, দেখবো একটা ব্যবস্থা করা যাবে স্যারদের বলে। তবে, বিষয়টি নিয়ে খুলনাা সিটি কর্পেরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ মশিউজ্জামান খান বলেন, আমি বিষয়টি জানিনা আমি অধিকাংশ সময়ে ব্যস্ত থাকি অফিসের কাজে। আপনি আমাদের পিডি মাসুদ সাহেবকে অবগত করেন। দ্রুত ব্যবস্থা নিব।



