নিয়ম অনুযায়ী যাকাত প্রদান করলে সমাজ থেকে দারিদ্রের হার কমবে – বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

যশোর ব্যুরো ঃ বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, নামাজ যেমন ফরজ কাজ, তেমনি সামর্থবানদের যাকাত দেওয়া ফরজ। নিয়ম অনুযায়ী যাকাত প্রদান করলে সমাজ থেকে দারিদ্রতার হার কমে যাবে। তিনি শুক্রবার বিকালে যশোর ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি যাকাত বোর্ড কর্তৃক কেন্দ্রীয়ভাবে অনুমোদিত ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত যাকাত প্রার্থীদের মাঝে যাকাতের অর্থ, ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের সুদমুক্ত ঋণ এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণকারী রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সদস্যদের মাঝে চেক বিতরণ ও প্রণোদনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাকাত দারিদ্র্য বিমোচনের বড় হাতিয়ার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করেছেন। সামর্থ্যবানদের প্রতিবছর নিয়ম অনুযায়ী যাকাত দিতে তিনি আহবান জানান। যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মোঃ দেলোয়ার হোসেন খান ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। স্বাগত বক্তৃতা করেন যশোর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো: আবুল কাশেম। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী কেন্দ্রীয়ভাবে অনুমোদিত ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত ২০৯ জন যাকাত প্রার্থীদের মাঝে ১০ লাখ ৫১ হাজার ৬৪৮ টাকার চেক এবং তিন জন উদ্যোক্তা, তিন জন সাধারণ উদ্যোক্তা ও তিন জন বিশেষ উদ্যোক্তার মাঝে দুই লাখ ৭০ হাজার টাকার চেক বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ৪০ জন সদস্যদের মাঝে ৪০ হাজার টাকা বিতরণ করেন। যশোর জেলার আটটি উপজেলার ৮৮ জন ইমাম ও মুয়াজ্জিনের বিকাশে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট চার লাখ ৪০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। সকালে বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গ্রামীণ সড়ক মেরামত ও সংরক্ষণের আওতাধীন যশোর জেলার সদর উপজেলাধীন প্যাকেজের চাঁচড়া আরএইচডি থেকে রাজগঞ্জ জিসি (মনিরামপুর) সড়কের প্রশস্তকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এলাকাবাসীকে সড়কের কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি তার কাছ থেকে মানসম্মতভাবে কাজ আদায় করে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। উল্লেখ্য, চার কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ কাজে ব্যয় হবে প্রায় তিন কোটি ৭৩ লাখ ৯৯ হাজার দুইশত টাকা।



