দৌলতপুরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে ডোবা-নর্দমা পরিষ্কারকরণ ও ‘মশক’ নিধন অভিযান

# কেসিসি প্রশাসক মঞ্জুর নির্দেশে সমগ্র ওয়ার্ডে চলছে নানা কর্মসূচি
# নর্দমাগুলো সম্পূর্ণরূপে পরিষ্কারকরণ ও মশার লার্ভা অপসারণ না হলে ঝুঁকির সম্ভবনা
স্টাফ রিপোর্টার ঃ সারাদেশের মতো খুলনায়ও চোখ রাঙ্গাচ্ছে ডেঙ্গু, প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। ডেঙ্গু ভয়াবহতা ও মহামারী থেকে নগরবাসীকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নিরলস প্রচেষ্টা ও নির্দেশনায় সমগ্র ওয়ার্ডের আনাচে-কানাচে, অলিগলিতে মশার লার্ভা (বংশবিস্তার) রোধে নর্দমা, ডোবা, জলাশয় পরিষ্কারকরণের পাশাপাশি মশক নিয়ন্ত্রনে ফাগার ও ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রমের পরিচালনার পাশাপাশি দিনের অধিকাংশ সময়জুড়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে সরেজমিনে গিয়ে এ কার্যক্রম কঠোরভাবে তদারকি করছেন। তিনি স্পষ্টভাষায় কঞ্জারভেন্সী শাখা ও প্রতিটি দায়িত্বর কর্মীর প্রতি বার্তা দিয়েছেন-‘ ডেঙ্গু মহামারির এ ক্রান্তেকালে চলমান কার্যক্রমের প্রতি দায়িত্বের অবহেলা বা গাফিলতি পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণও করবেন। খুলনায় ডেঙ্গুর মহামারির এ সংকটময় মূহুর্তে নগরবাসীকে সুরক্ষিত রাখতে ডেঙ্গুরোধে গৃহিত নজরুল ইসলাম মঞ্জুর চলমান উদ্যোগ নগরবাসীসহ সর্বস্তরে প্রশাংসা কুড়িয়েছে।
কেসিসি প্রশাসকের এ বিশেষ নির্দেশনার যথার্থ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রবিবার (৪ অক্টোরব) সকালে দৌলতপুর ৪ নং ওয়ার্ড কঞ্জারভেন্সী শাখার উদ্যোগে দেয়ানা উত্তরপাড়া বাউন্ডারী রোড এলাকার খোকন স্মৃতি সড়ক সংলগ্নে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডোবা-নর্দমা পরিষ্কারকরণ ও মশক নিধন অভিযান কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাইতুন নাজাত জামে মসজিদের সাঃ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন তোতন, কেসিসির সহকারি কঞ্জারভেন্সী অফিসার জিয়াউল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম (সাগর), কঞ্জারভেন্সী সুপারভাইজার মো. রফিকুল ইসলাম, পরিচ্ছন্ন কর্মী শেখ আবু সাঈদ হাওলাদার, মোল্লা আলামিন, শেখ আজাহার আলীসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ। উল্লেখ্য, দেয়ানা উত্তরপাড়া এলাকার খোকন স্মৃতি সড়ক সংলগ্নে গতকাল ডেঙ্গুরোধে যে ডোবা-নর্দমা পরিষ্কারকরণ করা হয়েছে, সেটি সম্পূর্নরুপে পরিষ্কারকরণ ও অপসারণ না করা হলে পুনরায় আবারও নর্দমাটি ডেঙ্গুর হটস্পটে রুপ দিতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।



