বিনোদন

চার নারীর সংগ্রামের ‘প্রেশার কুকার’, দেখা যাচ্ছে ওটিটিতে

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ প্রেক্ষাগৃহে ব্যাপক আলোচনার পর এবার হইচইতে মুক্তি পেলো রায়হান রাফি পরিচালিত সিনেমা ‘প্রেশার কুকার’। ঢাকার শহুরে জীবনে নারীর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও মানসিক চাপের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। ‘প্রেশার কুকার’-এ উঠে এসেছে ঢাকার চার নারীর জীবন, তাদের সংগ্রাম, সম্পর্ক, সংকট এবং প্রতিদিনের নানা চাপের গল্প। ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতা থেকে আসা এই চার নারীর জীবনকে একটি আন্তঃসংযুক্ত গল্পের মাধ্যমে পর্দায় তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, শবনম বুবলী, মারিয়া হোসাইন শান্ত ও স্নিগ্ধা চৌধুরী। পাশাপাশি অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, মিশা সওদাগর, শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, রিজভী রিজু, ফারিহা শামস সেঁউতি, ফাইযুল ইয়ামিন, প্রান্তর দস্তিদার। বিশেষ ভূমিকায় দেখা যাবে চঞ্চল চৌধুরীকে। প্রচলিত গতানুগতিক বা নায়ককেন্দ্রিক ধারা থেকে সরে এসে একদম ভিন্নধর্মী একটি থ্রিলার এবং জীবনঘনিষ্ঠ অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন নির্মাতা। সিনেমাটি হইচইতে মুক্তি নিয়ে পরিচালক রায়হান রাফি বলেন, ‘প্রেশার কুকার-এর মাধ্যমে আমি অন্যরকমের ভালোবাসা পেয়েছি দর্শকদের কাছ থেকে। সিনেমাটি হলে মুক্তির পর থেকে নানা দেশ থেকে মানুষ আমার কাছে জানতে চেয়েছে কবে এটা ওটিটিতে আসবে। ফাইনালি হইচইতে মুক্তি পেলো প্রেশার কুকার। আশা করি, সবাই দেখবেন এবং সবার ভালো লাগবে।’ অভিনেত্রী নাজিফা তুষি বলেন, ‘প্রেশার কুকার আমার জন্য খুবই বিশেষ একটি কাজ। গল্প ও চরিত্রের ভিন্নতা আমাকে শুরু থেকেই আকৃষ্ট করেছিল। সিনেমাটি হইচই-তে মুক্তি পাওয়ায় আরও বেশি দর্শকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হলো। দর্শকরা সিনেমাটি উপভোগ করবেন এবং গল্পের সঙ্গে নিজেদের মতো করে কানেক্ট করতে পারবেন বলে আমি আশা করি।’ হইচই বাংলাদেশে কান্ট্রি ডিরেক্টর সাকিব আর খান বলেন, ‘হইচইয়ের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী দর্শক ঘরে বসেই দেখতে পারবে প্রেশার কুকার। আমরা বিশ্বাস করি, গল্প ও নির্মাণের ভিন্নতা দর্শকদের ভালো লাগবে।’ দুই ঘণ্টা ৩৩ মিনিটের ক্রাইম-ড্রামা জনরার সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন রায়হান রাফি, মেহেদি হাসান মুন ও সিয়াম সামস তুষ্ট। সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন জোয়াহের মুসাভভির জ্যোতি, সম্পাদনায় ছিলেন সিমিত রয় অন্তর। মিউজিক করেছেন জাহিদ নীরব, আরাফাত মহসিন, তানভীর আহমেদ ও ইমন চৌধুরী বিজয়া। পোশাক পরিকল্পনায় ছিলেন রতœাবলি বড়–য়া। রঙ বিন্যাস দেবজ্যোতি ঘোস, শব্দ-পরিকল্পনা করেছেন রিপন নাথ ও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর করেছেন রুসলান রেহমান। শিল্প নির্দেশনায় ছিলেন নাসিব খান। মেক-আপ আর্টিস্ট হিসেবে ছিলেন মাহবুব রহমান মানিক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button