মহেশ^রপাশায় অলোক দে’র স্মরণ সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলী অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ঃ দৌলতপুরের মহেশ^রপাশা জুনিয়ার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্ত্বরে গতকাল সোমবার প্রখ্যাত ছাত্র ও যুব নেতা অলোক কুমার দে’র ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলী ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অলোক স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ নওশাদুজ্জামান পল্টু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি কমরেড এ্যাড. মিনা মিজানুর রহমান, নাগরিক নেতা শাহীন জামাল পন, দেলোয়ার হোসেন দিলু, কমরেড মফিজুল ইসলাম, ছাত্রমৈত্রী কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি দীপঙ্কর সাহা দিপু, কমরেড খলিলুর রহমান, বিভাগীয় শিক্ষক নেতা শেখ আল মামুন, অলোক স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কে এম আকরাম হোসেন, অধ্যাঃ মিজানুর রহমান লিখন, অধ্যাঃ মাধব চন্দ্র রুদ্র, গাজী অহিদুজ্জামান টিটু, বাকের আহম্মেদ, শহীদুল ইসলাম মিলন, সাকিল বিন আলম, শিক্ষক সন্দিপ কুমার দে, গৌতম দে হারু সহ অলোক স্মৃতি সংসদের সকল সদস্যবৃন্দ। স্মরণ সভা শেষে এক মৌন মিছিল বের হয়ে অলোক স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টি, অলোক স্মৃতি সংসদ, খুলনা জেলা, মহানগর ছাত্রমৈত্রী কমিটি, ৭১এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও দৌলতপুর কলাকেন্দ্রের নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, সাবেক সংগ্রামী ছাত্রনেতা অলোক কুমার দে’র ২৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী । ১৯৯৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা ৪০মিনিটে নগরীর দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা কালিবাড়ি নিজ বাসভবনের সামনে মেইন সড়কের পাশে চরমপন্থী সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়। তখন তার বয়স ছিল ৩৫ বছর। স্ত্রীর ও ১টি কন্যা সন্তান রেখে যান। মেয়েটির বয়স তখন দেড় বছর । ৯০ দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা ছিলেন তিনি। খুলনার সরকারী বজ্র লাল কলেজের ছাত্রনেতা ছিলেন। তিনি ছাত্র জীবনে ছাত্র মৈত্রী রাজনৈতিক সংগঠনের খুলনা জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার সরকার পতন আন্দোলনে রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। সে সময় তিনি ছাত্রনেতা হিসাবে প্রায় এক মাস কারা বরণ করে ছিলেন। সন্ত্রাসী বুলেটে নিহত হওয়ার পরে সন্ত্রাসীদের ভয়ে পরিবারের কেউ মামলা করতে পারেনি। তবে তৎকালীন সময়ে পুলিশ বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো অনেক কে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।



