স্থানীয় সংবাদ

গ্রামীণ ব্যাংক খুলনা জোনের মতবিনিময় সভা

স্টাফ রিপোর্টার : ‘১৯৭৬ সালে গ্রামীন ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটি প্রকল্প আকারে ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এখানে অর্থায়ন করেছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠানে অনেক পরিশ্রম করেছেন। তার কৃতিত্ব ও অবদানকে আমরা স্বীকার করি। কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংক হয়েছে মূলত: সরকারের অর্থায়নে।’
মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক খুলনা জোনের এরিয়া ম্যানেজার, গ্রোগ্রাম অফিসার ও শাখা ম্যানেজারদের মতবিনিময়ে বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. একেএম সাইফুল মজিদ। সম্মানিত অতিথি ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর মোহাম্মদ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন শাখা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার সাহা, গ্রামীণ ব্যাংক সচিবালয় সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মামুনুর রশিদ, শাখা পরিচালনা বিভাগ-দক্ষিণাঞ্চলের বিভাগ প্রধান (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল হাদী। সভাপতিত্ব করেন গ্রামীণ ব্যাংক খুলনা যোনের যোনাল ম্যানেজার মোঃ বাবর আলী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অডিট অফিসার মো. মাজহারুল ইসলাম। বক্তারা বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল প্রাপ্তির জন্য গ্রামীণ ব্যাংকের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারিকে স্বীকৃতি দেননি। উপরন্তুগ্রামীণ ব্যাংকের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, সুনাম ব্যবহার করে অনেকগুলো অঙ্গ প্রতিষ্ঠান বানানো হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মচারিরা শ্রমে ঘামে ওইসব প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা বলেন, প্রকল্প থেকে যখন গ্রামীণ ব্যাংক হলো তখন প্রকল্পের যত সম্পদ ছিল তা’ ব্যাংকের আওতায় চলে গেছে। এখানে ড. ইউনূস বা অন্য কারো ব্যক্তিগত সম্পদ নেই। ফলে গ্রামীণ ব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক ড. ইউনূস বা অন্য কেউ একথা বলার আইনগত সুযোগ নেই। এসব অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলো ফিরিয়ে আনতে আইনত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button