প্রতিনিয়ত বাড়ছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা সড়কের আতঙ্ক বেপরোয়া কিশোর বাইকার

আটরা গিলাতলা প্রতিনিধি ঃ খুলনা মহানগরীতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। এমন কোনো একটি দিন নেই, যেদিন ঘটছেনা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হতাহতের কথা।ঈদ বা কোনো উৎসব এলে এ খবর আরও বেশি শোনা যায়। বাইক দুর্ঘটনার কারণে কেউ সারাজীবনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করছে আবার কেউ বা পরপারে চলে গেছেন।প্রত্যক্ষদর্শী ও সাধারণ মানুষ জানায়, বেপরোয়া গতিই দুর্ঘটনার কারণ। অপ্রাপ্ত বয়সের কিশোরদের হাতে বাইক থাকায় প্রতিনিয়তই সড়ক ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব কিশোর বাইকাররা সড়কের প্রত্যেকটা মানুষের জন্য আতঙ্ক। বর্তমানে বিভিন্ন উৎসবে কিশোররা যে বাইক চালায় তার জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী তাদের পরিবার। পরিবার সন্তাননদের খোঁজ রাখে না। এছাড়া একটি পরিবার ৫ লাখ টাকা দিয়ে বাইক কিনে দিতে পারে কিন্তু ৫ হাজার টাকা দিয়ে হেলমেট কিনে দেন না। একটি সার্টিফাইড হেলমেট দুর্ঘটনা থেকে অনেকাংশে বাঁচায়। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে পরিবারের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।নিরাপদ সড়ক চাই খানজাহান আলী থানার সভাপতি শেখ আব্দুস বলেন, আমাদের দেশে উৎসবগুলোর সময় যদি কারো মোটরসাইকেল না থাকে তাহলে আত্মীয়দের কাছ থেকে মোটরসাইকেল নেয় কিশোররা। এরপর তারা তিনজন অতিরিক্ত চারজনও বাইকে উঠাই। বেপরোয়াভাবে অন্য কোনো মোটরসাইকেলের সঙ্গে তারা প্রতিযোগিতা করে। এতে সড়কে থাকা পথচারী বা সাধারণ মানুষ আতংকগ্রস্থ হয়ে পড়ে। তারা জানে না কিভাবে একটি বাইক কন্ট্রোল করতে হয়। আমরাও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।খানজাহান আলী থানার ওসি মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, শুধু আমাদের ট্রাফিক না, আমাদেওর টহল পুলিশ ডিউটি করাকালিন সময়ে এ বিষয়ে নজড় রাখছে সড়কে তিনজন নিয়ে চালানো বেপরোয়া বাইকারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা প্রায়শই এমন বাইক দেখলে মামলা দেই বা থানায় নিয়ে আটকে রেখে তাদের অভিভাবকদের ডেকে তাদের হাতে তুলে দিই।

