স্থানীয় সংবাদ

যততত্র দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনে সরু হচ্ছে সড়ক হচ্ছে দুর্ঘটনা : জনদুর্ভোগ

শেখ ফেরদৌস রহমান : খুলনা নগরীতে যত্রতত্র দাড়িয়ে থাকা যানবহণে সরু হচ্ছে সড়ক। দুই লেনের এই সড়কে নিয়ম না মেনে গাড়ি পার্কিং করায় হচ্ছে দুর্ঘটনা সৃষ্টি হচ্ছে জনদুর্ভোগ। বিশেষ করে নগরীতে তিন চাকার জানবহণ মাহেন্দ্র,আতুল আর ইজিবাইকের কারণে। এতে করে সড়কে তৈরি হচ্ছে বাড়তী চাপ। মাঝের মধ্যে ট্রাফিক বিভাগ কঠোর হয়ে তদারকি করলেও।চলে যাওয়ার পর আবারও শুরু হয় খেয়াল খুশি মত গাড়ি পার্কিং।বিশেষ করে নগরীর শিববাড়ীর মোড়, ডাকবাংলা,রুপসা স্টান্ড, নিউমার্কেট, বৈকালী, দৌলতপুর, ফুলবাড়ী গেট এলাকা সব সময়ে অপেক্ষায় থাকে এসব যানবহণ। সড়কের পাশে পথচারী দাঁড়িয়ে থাকলে চালকেরা মনে করে যাত্রী আর অযাথা সামনে দাড়িয়ে যায় চালক। এতে করে অনেক সময়ে পিছনে চলাচলরত যানবহণ গুলো সমস্যার সম্মুখীন হয়। এ বিষয়ে কথা হয় সচেতন নাগরিক মোঃ রাজিব হোসেনের সাথে তিনি বলেন, নগরীর প্রাণকেন্দ্র বলা হয় শিববাড়ী মোড় এলাকা। এখানে নগরীর সব সড়কগুলো মিলেছে। তবে দেখবেন এখানে বড় যানবাহণ থেকে শুরু করে দেখা যাবে অসংখ্য ছোট তিনচাকার যানবাহণ। এসব যানবাহণ গুলো দাঁড়িয়ে থাকে মূলতঃ যাত্রীর অপেক্ষায়। এছাড়া ডাকবাংলা এলায় একই সমস্যা। আর দৌলতপুরে তো মাহেন্দ্র, আতুল আর ইজিবাইক দুই পাশে সড়ক দখল করে আছে। সব সময়ে জানজট থাকে দৌলতপুরে। আর এদের বিষয়ে প্রশাসন ও কোন কথা বলেনা। তবে গেল বছর একজন পুলিশ সদস্য দৌলতপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। তারপর কয়েকদিন নড়েচড়ে বসেছিল সংশ্লিষ্ট প্রসাশন। কোন ধরনের যানবাহণ থামাতে পারেনি। তবে আবারও যা তাই অবস্থা। আমার মতে এসব চালকেদের প্রতি কঠোর হলে কোন লাভ হবেনা। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা । পরিবহণের ইউনিয়নের নেতার সহ চালকদের সাথে নিয়ে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। আর যেসব মোড়ে বেশি যানবাহণ পার্কিং থাকে সেসব স্থানগুলো চিহ্নিত করতে হবে। আর মাইকে প্রচার করতে হবে সচেতনতামূলক শ্লোগান। এতে করে যদি একটু হলেও কাজ হয়। না হলে প্রশাসন যতক্ষন কঠোর থাকবে ঠিক সে সময় পর্যন্ত ভালো থাকবে। আবার চলে গেলে তারা সড়ক দখল করবে। এমনটি হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা হয় মাহেন্দ্র চাল মোঃ রাজিবের সাথে তিনি বলেন, ভাড়ায় গাড়ী চালিায়ে দৈনিক ৫শ টাকা উপার্জন করতে বেশ বেগ পেতে হয়। আর খালি গাড়ী চালিয়ে কোন চালক যেতে চায়না। যেকারণে সড়কের পাশ থেকে ছাড়া যাত্রী পাওয়া যায়না। আর মোড় গুলোতে যাত্রী বেশি পাওয়া যায়। যেকারণে এসব মোড়ে দাঁড়িয়ে যাত্রী উঠানো হয়। আমাদের মাহেন্দ্র ১২শ’র মত। আর ইজিবাইক চলে ১৫ হাজার। এদের কারণে বেশি যানজট তৈরি হচ্ছে। এরা নগরীকে যানজটের নগরীতে পরিনত করছে। আর বিশেষ করে অদক্ষ আর কিশোরদের হাতে ইজিবাইক থাকায় ঘটছে দুর্ঘটনা। নগরীতে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে ইজবাইক আর মোটরবাইক চালকেরা। আপানি খোঁজ নিতে পারেন। এ বিষয়ে খুলনা ট্রাফিক বিভাগের উপ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি সদ্য যোগদান করেছি। তবে নগরীতে জানজট নিরসনে বদ্ধপরিকর কেএমপি। আমাদের বর্তমান জনবল ট্রাফিক সদস্য ১৫০ জনের মত, সার্জেন্ট আছে ৭৬ জন, এটিএসআই ৫০ জনের উপরে, টিআই আছে ১১ জন। এসি আছে ৩ জন। এসব জনবলকে পুরো নগরীর সড়কে শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করতে হয়। তারপরও আমি বিষয়টি দেখছি।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button