অবশেষে থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে বদলি

# খুলনার স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক প্রবাহে ডুমুরিয়া থুকরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর ৩ মাসেরও কম সময়ে বদলি #
স্টাফ রিপোর্টার : অবশেষে ডুমুরিয়া উপজেলার থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের কারণে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন খুলনা জেলা প্রশাসক দপ্তর। গত ২ ফেব্রুয়ারি-২৫ খুলনার স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক প্রবাহ ডুমুরিয়া থুকরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর এ ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়,কর্র্তৃপক্ষের আদেশক্রমে খুলনার রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর তৌহিদ রেজা স্বাক্ষরিত ৩৪২(১৩) নং স্মারকে ২৪ ফেব্রয়ারী-২৫ তারিখে আদেশ দেওয়া হয়।আদেশে লেখা রয়েছে প্রশাসনিক কারনে তার নামের পাশের্^ বর্ণিত কর্মস্থলে বদলি করা হলো।থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জালাল হোসেনের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ব্যবস্থা হিসেবে থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে বারাকপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিসে বদলি করেছে। নায়েব জালাল হোসেন’র স্থলাভিত্তিক হয়েছেন বারাকপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ ইকবাল হোসেন। সূত্রে জানা যায়,তহশিলদার জালাল হোসেন থুকড়া ভূমি অফিসে থাকার জন্য বহু চেষ্টা তদবির চালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না জালাল হোসেন’র। মাত্র ৩ মাসের কম সময়ের (৮৭ দিনের) মধ্যে বদলি হলেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ জালাল হোসেন। থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ২৬ টি মৌজার বেশ কয়েকজন সেবা প্রত্যাশীরা জানান ,তিনি অল্প দিনের মধ্যে এসে যেভাবে বিনিময় শুরু করেছিলেন তাতে করে আমরা নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত ছিলাম। এ ব্যবস্থা গ্রহণ করায় খুলনার জেলা প্রশাসকসহ কর্তৃপক্ষকে আমাদের এ অঞ্চলের ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। উল্লেখ্য,ডুমুরিয়া উপজেলার থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারি কর্মকর্তা (নায়েব) জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে খাজনার দাখিলা কর্তনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগীরা। তারা বলছেন, মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে খাজনার দাখিল দিয়েছেন বর্তমান থুকড়ো ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জালাল । ইতিপূর্বেও অনেক চেষ্টা করেছে এই চক্রটি ভূমি উন্নয়ন কর খাজনা রশিদ (দাখিলা) কাটার। কিন্তু কোন নায়েব সাহস করে এটি দেননি। বিভিন্ন মৌজার একাধিক ভুক্তভোগী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ১ জানুয়ারি ২৫ ডুমুরিয়া উপজেলার চকআসানখালি ৫১৫ /৫১৬ নং খতিয়ানের খাজনা রশিদ কেটে দিয়েছেন। ভুক্তভোগীরা বলছেন অনেক টাকার বিনিময়ে থুকড়া ইউনিয়ন ভুমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন এই কাজটি করেছেন। গত ৫ জানুয়ারি এই জমির ৫৭ শতকের দলিল হয়ে গিয়েছে। বিজ্ঞ হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী অত্র ৫১৫ /৫১৬ নং খতিয়ানে কোন খাজনা ও নামপত্তনসহ অন্যান্য কার্যক্রম স্থগিত থাকবে বলে নির্দেশনা দিয়েছেন এবং তাহা তলব বাকি বর্হিতে ৫১৫/৫ ১৬ নং খতিয়ানে নোট ভুক্ত ছিল। উক্ত নোট বিনষ্ট করে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞাকে অমান্য করে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ(ঘুষ) নিয়ে ১জানুয়ারি -২০২৫ তারিখে ক্রমিক নং -৪৭৩০২৫০৮৮৩১৪ নং-দাখিলার ৫১৫ নং খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত চক আসানখালি মৌজার ১ একর ৩২ শতক জমি বিলান(কৃষি -২) হারে ৩হাজার ৪শত ৪১ টাকা খাজনা আদায় করেন। কিন্তু সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উক্ত খতিয়ানের জমি আবাসিক প্লট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তৎপর উল্লেখিত কারণ উপেক্ষা করে চক আসানখালি মৌজার ৫১৬ নং খতিয়ানে ৪৫ শতক জমি বিলান (কৃষি-২) হারে ৪৭৩০২৫০৮৮৩১৫ নং দাখিলার ১১৭৫ কাজ না আদায় করে। ভূমি কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনের যোগ সাজোসে হয়েছে। যাহা আইনের পরিপন্থী। আশরাফননেছার নামে সি এস ও এসএ খতিয়ানে কোন নাম নেই।



