পুলিশের উপস্থিতিতে ভাংচুর করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির অভিযোগ

# দামোদরে জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধ ন্যায় বিচারে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও মিলছে না প্রতিকার #
# হামলা-ভাংচুরের ঘটনায় অভিযোগ আমলে নেয়নি পুলিশ
স্টাফ রিপোর্টার ঃ দামোদরে জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধে ন্যায় বিচারে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও মিলছে না প্রতিকার। একাধিকবার হামলা-ভাংচুরের স্বিকার হয়ে থানা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও আমলে নিচ্ছে না পুলিশ এমনটি অভিযোগ ভুক্তভোগী তাসলিম্া আখতারের। তার দাবী প্রতিপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশের সহযোগিতায় আমার বেড়া ও ঢালাই কলম ভাংচুর করে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ফুলতলা থানাধিন দামোদর ৯নং ওয়ার্ডের মৃত হাশেম বিশ^াসের কন্যা তাছলিমা, পারভীন হামিদার ভিটা বাড়ীতে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন দামোদর গ্রামের মৃত হাশেম বিশ^াসের ওয়ারেশগেনর কাছ থেকে আনোয়ারা পারভীন, আকরাম-সুমন খান, আবুলগং জমি ক্রয় করে বসবাসের জন্য ভবন নির্মাণ করে। তাদের চলাচলের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত মৃত হাশেম বিশ^াসের কণ্যাদের সাথে বিবাদ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মারপিট ও ভাংচুরের ঘটনাও ঘটে। সর্বশেষ ১ মার্চ প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় মৃত হাশেম বিশ^াসের কন্যা পারভীন(৬০), হামিদা(৫০) এবং তাসলিমা(৪৫)। হামলায় আহত মোছা তাছলিমা বেগম জানান, আমাদের পৈত্রিক জমি থেকে আমার ভাইয়ের কাছ থেকে যখন জমি ক্রয় করে তখন তাদের চলাচলের জন্য কোন রাস্তা ছিল না। ক্রয়সুত্রে মালিক আনোয়ার খা, সুমন খা,আনোয়ারা পারভীন, আবুল গংদেরকে বলা হয় রাস্তার জন্য কিছু জায়গা ছাড়ার জন্য কিন্তু তারা জমি ছাড়তে অস্বিকৃতি জানায়। আমাদের পাঁচ বোনের জয়গা দিয়ে তাদেরকে চলাচলের রাস্তা দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে ব্যার্থ হয়ে তারা সঙ্গবদ্ধ হয়ে একের পর এক আমাদের উপর হামলা চালিয়ে ভাংচুর এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। তিনি বলেন ফুলতলা থানার এস আই সাইফুল ইসলাম নিজে এবং অন্যদের দিয়ে আমার বেড়া ভাংচুর করে প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে। বিষয়ে অভিযুক্ত ফুলতলা থানার এস আই সাইফুল ইসলাম বেড়া ভাংচুরের কথা অস্বিকার করে বলেন, আনোয়ারার বিবাদী থানায় একটি অভিযোগ করার পর ডিউটি অফিসার আমাকে বলে চলাচলের রাস্তা টিন দিয়ে ঘিরে বন্দ করে দিয়েছে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি একটু দেখেন। আমি তখন মোবাইল ডিউটিতে ছিলাম ঘটনাস্থরে এসে দেখি স্কুল কলেজসহ পার্শবর্তী মানুষ বের হতে পারছেনা। টিন দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে ঘিরে দিয়েছে। আমি তাদেরকে অনুরোধ করি রমজান মাসে হঠাৎ করে মানুষের চলাচলের রাস্তা এ ভাবে বন্ধ করতে পারেন না। আমি তাকে অনুরোধ করি রাস্তার উপর দিয়ে একটি টিন খুলে দেওয়ার জন্য কিন্তু তিনি না খুলায় উপস্থিত জনতা টিন খুলে দেয়। ভুক্তভোগি তাসলিমা বেগম বলেন ঘটনাস্থলে কোন স্কুল বা কলেজ নেই। থানার এস আই সাইফুল মিথ্যা কথা বলছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কতৃপক্ষের নিকট আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগিরা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত আনোয়ারা পারভিন বলেন ঘটনা পুরোটা সত্য নয় আমাদেরকে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথা প্রচার করা হচ্ছে।



