খুলনায় ইজিবাইক চালককে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের ঃ নিহতের দাফন সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনায় ইজিবাইক চালক হাফিজের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বটিয়াঘাটা উপজেলার ২ নং ইউনিয়নের জনৈক সত্যজিত রায়ের জমি থেকে ওই ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ইজিবাইক চালক মোঃ হাফিজুল ইসলাম (৪৫) খুলনার খালিশপুর ১১ নং ওয়ার্ডের ২নং প্লাটিনাম মিলগেটের বাসিন্দা মৃত খাদেমুল ইসলামের ছেলে। তবে হত্যার পর হাফিজের ইজিবাইক নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা খায়রুল বাসার বলেন, শুক্রবার সকালে বটিয়াঘাটা উপজেলার ২ নং ইউনিয়নে সত্যজিত রায়ের জমিতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ শনাক্ত করণের চেষ্টায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার পরিচয় নিশ্চিত হয়। এরপর পরিবারের নিকট খবর দেওয়া হলে তারা এসে মরদেহ হাফিজের বলে নিশ্চিত হয়। সুরাতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রাতে নিহতের ছোট ভাই রানা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন দুর্বৃত্ত খুলনা নগরীর খালিশপুর ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্ক এলাকা থেকে ভাড়ায় চালিত ইজিবাইক চালক হাফিজকে বটিয়াঘাটা উপজেলায় নিয়ে আসে। উপজেলার ২ নং ইউনিয়ন সত্যজিত রায়ের জমি নির্জন পেয়ে রাত ১ টা থেকে ৩টার মধ্যে তাকে জবাইয়ের পর মৃত্যু নিশ্চিত করে ইজিবাইকটি নিয়ে পালিয়ে যায়। তবে রাতে পুলিশ দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। শুক্রবার রাতে বটিয়াঘাটা ও খালিশপুর থানা পুলিশ যৌথভাবে খালিশপুর ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্ক সংলগ্ন বাড়ির সিসি ক্যামেরা দেখেন। বৃহস্পতিবার রাতে কে বা কারা হাফিজকে মোবাইল করে ডেকে পার্কের মোড়ে নিয়ে আসে। তারপর ইজিবাইক নিয়ে যায়। এদিকে শনিবার জহোরবাদ খালিশপুর তৈয়্যেবা কলোনী মসজিদের সামনে জানাজা শেষে গোয়ালখালি কবরস্থানে হাফিজের মরদেহ দাফন করা হয়। জানাজায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। নিহতের ছোটভাই রানা বলেন, তার ভাই এখনও বিবাহ করেননি। তিনি খুবই নিরিহ প্রকৃতির লোক ছিলেন। কে বা কারা তাকে মোবাইল করে ডেকে নিয়ে আসে।



