লেখাপড়া শেষ করে চাকুরী পর্যন্ত ২০ লাখ টাকা নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ এনএসআই মাঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

# বাগেরহাটে বিয়ের প্রলোভনে শারিরিক সম্পর্ক #
# সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ #
বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে লেখা পড়ার খরচ ও চাকুরী পাওয়া পর্যন্ত ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারনার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হাফিজা আক্তার ঝুমুর নামে স্বামী পরিত্যাক্তা এক নারী। শনিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগে হাফিজা আক্তার ঝুমুর জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ তুলে ধরে বক্তব্য দেন। শরনখোলা উপজেলার নলবুনিয়া গ্রামের মৃত সেনা সদস্য সিদ্দিক সরদারের মেয়ে হাফিজা আক্তার ঝুমুর বলেন, শরনখোলা উপজেলার ছোট নলবুনিয়া গ্রামের আবু হানিফ মাওলানার ছেলে অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের সাথে ২০২০ সালে কোডেক এনজিওতে চাকুরী করার সুবাদে তার সাথে সম্পর্ক হয়। সেই থেকে আমাদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তখন অনেক আপত্তিকর ছবিও তুলেছে সেই ছবিগুলি আমার আত্মীয় স্বজন ও আমার স্বামীকে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আমাকে বিয়ের কথা বলে শারিরীক সম্পর্ক গড়ে তোলে। সেই থেকে অহিদুল বিভিন্ন সময় চাকুরীর ও ব্যবসাসহ বিভিন্ন অজুহাতে আমার কাছ থেকে নগদ টাকা নেয়। পরে গত ২০২৩ এর ২৫ নভেম্বর তার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা হিসাবে চাকুরি হলে আমি আমার পাওনা টাকা চাইলে অহিদুল ইসলাম দুর্জয় আমাকে একটা ২০ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করেন। চেক নিয়ে ব্যাংকে টাকা তুলতে গেলে জানতে পারি ঐ চেকের মালিক তার সেজ ভাই মোঃ এনামূল হাওলাদার। এর আগে সে আমাকে না জানিয়ে অন্যত্র বিবাহ করে। আমি উপায়ন্তর না পেয়ে ২০২৪ এর ৯ এপ্রিল চেক জালিয়াতির একটি প্রতারনা অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করি। এ মামলায় গত ১৬ মার্চ-২০২৫ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরন করে। সে বাগেরহাট জেলা কারাগারে আছে। আমি জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) মাঠ কর্মকর্তা এই প্রতারক অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের দ্বারা আমি মারাত্মকভাবে প্রতারিত হয়েছি। তাই আমার দেয়া সকল অর্থ ফেরদসহ তার চরম শাস্তির দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছি।



