পুলিশ ছেলের অত্যাচারে বাড়ি ছাড়া বাবা

স্টাফ রিপোর্টার ঃ পুলিশ কনস্টেবল ছেলের অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়ে বাড়ি ছাড়া হয়েছেন পিতা ফায়ার সার্ভিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ জহুরুল ইসলাম। অনেক কষ্টে জমানো অর্থ দিয়ে তৈরী করা বাড়িটি তার জন্য কাল হয়েছে। বড় ছেলে সেই বাড়ি জোর করে দখল করে নিয়েছে। বিচারের আশায় পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সেনাবাহিনী ও পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম সেল) বরাবরে লিখিত অভিযোগে পিতা মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, চাকরী করার সময় তিনি যশোরের নওয়াপাড়ায় জমি কিনে সেখানে বাড়ি করেন। অভয়নগরের গুয়াখোলার হাসপাতাল পাড়ার জাহেদা ভিলা নামের ওই বাড়ি তৈরীর সময় অর্থ সংকটে পড়ে ২০০৯ সালে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে সেই টাকা দিয়ে তিনতলা বাড়ি নির্মান করেন। কিন্তু তার বড় ছেলে পুলিশ কনস্টেবল এমএম নাসিরুল ইসলাম মেনন সেই বাড়ি দখলের জন্য তাদের উপর অত্যাচার শুরু করেন। বাড়ি থেকে সব ভাড়াটিয়াদের জোর করে তাড়িয়ে দিয়ে দেয়াল ভেঙে ঘরে তালা লাগিয়ে দেয় সে। জহুরুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, ছেলে নাসিরুল ইসলাম মেনন ১৯৯৭ সালে পুলিশে চাকরী পায়। চাকরী পাওয়ার পর থেকেই সে জমি ক্রয় করতে শুরু করে। চাকরী পাওয়ার পর থেকে সে নওয়াপাড়ায় সোয়া তিন শতক, খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশায় ৫ শতক, বুইকারায় ২ শতক, কাটেঙ্গায় বিভিন্ন দাগে সাড়ে ২৭ শতক জমি ক্রয় করে। একজন পুলিশ কনস্টেবল হয়েও বিলাসি জীবন যাপন করে সে। তাকে অবৈধ উপায়ে যেনো আয় করতে না হয় সে জন্য প্রতি মাসে চার হাজার টাকা তাকে দেয়া হয়েছে। কিন্তু সে অবৈধ উপায়ে আয় করা বন্ধ করেনি। আরও বেশী অর্থ আয়ের জন্য সে অবৈধ পথ বেছে নিয়েছে। সে আমার বাড়িটি দখল করার জন্য তার মাকে পর্যন্ত আঘাত করেছে। আমার ছোট ছেলে নাইমুল ইসলামকে হত্যা করার জন্য চরমপন্থীদের দিয়ে চেষ্টা করেছে। সৌভাগ্যক্রমে আমার ছোট ছেলে রক্ষা পেয়েছে।
তবে এ বিষয়ে ছেলে এমএম নাসিরুল ইসলাম মেননের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কোন কথা বলবো না। যা মনে চায় তাই লেখেন।



