বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সম্পদ সুরক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অভিযান

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, টেকসই সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌযান কর্তৃক সকল প্রকার মৎস্য আহরণ বন্ধে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বিশেষ অভিযানে নিয়োজিত রয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা সুরমা’ গতকাল বুধবার নিয়মিত টহল চলাকালীন বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজারে ছয়টি ফিশিং ট্রলার আটক করে। আটককৃত ট্রলারসমূহে তল্লাশি চালিয়ে ১০৩ জন জেলেসহ ১৩ হাজার ৫০০ পিস ইলিশ, অন্যান্য প্রজাতির মাছ ৮৫ কেজি এবং ৪.৫৫ লক্ষ মিটার জাল জব্দ করা হয় যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১০ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার অধিক। আটককৃত জেলেরা ভোলা এবং হাতিয়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা যায়। পরবর্তীতে জব্দকৃত ইলিশ ও জালসহ জেলেদের বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন মহেশখালী এর নিকট হস্তান্তর করা হয়। উল্লেখ্য, জাটকা নিধন প্রতিরোধ এবং ৫৮ দিনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকরণ অপারেশন-২০২৫
বাস্তবায়নে নৌবাহিনী দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। চলমান এ অভিযানে নৌবাহিনী অদ্যাবধি প্রায় ১৫৭ কোটি, ৯৭ লক্ষ, ৬৬ হাজার টাকা মূল্যের অবৈধ জাল, জাটকা ও মাছ ধরার সরঞ্জামাদি জব্দ করেছে। সমুদ্রসীমা ও সমুদ্র সম্পদের সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের মৎস্য সম্পদ এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধি অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। অপরদিকে, গতকাল বুধবার মধ্যরাতে গোয়েন্দা সংস্থা তথ্যেরভিত্তিতে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নৌবাহিনী। অভিযানে পাচারের উদ্দেশ্যে কেউড়া বনে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ চেতনা নাষক ঔষধ জব্দ করা হয়। ঔষধসমূহের মধ্যে রয়েছে ঝবফরষ রহলবপঃরড়হ (উরধুবঢ়ধস ইচ ১০ সম/ অসঢ়ড়ঁষব) ২৬৯৫ পিস, ঝবফরষ ঞধনষবঃং (উরধুবঢ়ধস ইচ ৫সম) ১১৫৫২০ পিস ও তড়ষরঁস ০.৫ (অষঢ়ৎধুড়ষধস ০.৫ সম) ২৩৫২০ পিস। এসময় আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা নাইট্যংপাড়া পাহাড়ের গহিনে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে জব্দকৃত ঔষধসমূহ টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।



