স্থানীয় সংবাদ

পাইকগাছায় লক্ষাধিক টাকার মাছ লুট ।

# থানায় লিখিত অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা জেলা পাইকগাছা উপজেলার মধুখালি মৌজায় জোর পূর্বক জমি দখল করে লক্ষাধিক টাকার মাছ লুট ও হুমকীর অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় পাইকগাছা থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন জকারহুলা এলাকার মোঃ দিদারুল ইসলাম(৩৮)।
দায়েরকৃত অভিযোগে দিদারুল ইসলাম বলেন, উপজেলার জকারহুলা গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদ শেখের ছেলে মোঃ বাদশা শেখ (৩৩) ও একই উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামের মোঃ আব্দুল্লাহ মোড়ল (৩৫) দীর্ঘদীন ধরে বাপাউবো এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন” বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্প এলাকায় এবং অন্যান্য জলাশয়ে সমন্বিত মৎস্য উন্নয়ন এফসিডিআই” প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা উপজেলাধীন ২০নং পোল্ডারের মধুখালী মৌজার ১০/১৯৮৮-৮৯ এল.এ.কেসভুক্ত জমি জবর দখল করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। যেটা আমি ২০১৪ সালের ৩ ডিসেম্বর আবদেনক্রমে প্রাপ্ত হই। পরবর্তীতে আমি ও অন্যান্য সদস্যরা “সমন্বিত মৎস্য চাষ উন্নয়নকল্পে জলাশয় ইজারা চুক্তিনামা” খুলে প্রাপ্ত হয়ে ভোগদখল করে আসছি। আমি প্রতিবছর সরকার নির্ধারিত কর-খাজনা পরিশোধ করে আসছি। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১ জুন আমি পুনরায় বাপাউবো খুলনা বরাবর উক্ত পাইকগাছা উপজেলাধীন ২০নং পোল্ডারের মধুখালী মৌজার ১০/১৯৮৮-৮৯ এল.এ.কেসভুক্ত জমি পুনরায় আমাকে বন্দোবস্ত/ইজারা দেওয়ার জন্য আবেদন করি। যা এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গত ১৫ জানুয়ারী তারা আমার উক্ত জলাশয়ের জমিতে প্রবেশ করে অবস্থান করতে শুরু করে। তারা আমার উক্ত জলাশয়ে থাকা ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ ধরে নিয়ে এক লক্ষ টাকার অধিক ক্ষতিসাধন করে। আমি ও অন্যান্য সদস্যরা তাদেরকে এসব কাজ করতে নিষেধ করি কিন্তু তারা সেটি অমান্য করে মাছ ধরা অব্যাহত রাখে এবং আমাদেরকে হুমকী ধামকী দিয়ে আমাদেরকে তাড়িয়ে দেই। তারা আমাদের নেট, পাটাসহ বিভিন্ন সরজ্ঞাম উঠায় ফেলে এবং নষ্ট করে ক্ষতিসাধন করে। বিবাদীরা আমাদের উক্ত জলাশয়ের জমি এখনো জবর দখল করে রেখেছে। এ বিষয়ে বিাদী মোঃ বাদশা বলেন, খালটি ২০২১ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের থেকে লিজ এর মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপর প্রায় তিন বছর খালটি উন্মুক্ত ছিল।এলাকাবাসী যে যার মত মাছ ধরত।এখন আমি জায়গাটি পরিস্কার করে মাছের পোণা ছেড়েছি। আমি কারোর মাছের ক্ষতিসাধর করেনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ করেছে। এ বিষয়ে পাইকগাছা থানার এসআই আনিছুর রহমান বলেন, আমি দিদারুল ইসালম নামে একজনের কাছ থেকে মাছ লুট হযেছে একটি লিখিতি অভিযোগ পেয়েছি। আমি ইতো মধ্যে উভয় পক্ষকে নিয়ে তদন্ত করছি।তদন্ত পূর্বক যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিব।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button