স্থানীয় সংবাদ

১৯ জুলাই সমাবেশ সফলের লক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে আগামী ১৯ জুলাই ঢাকাস্থ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য ‘জাতীয় সমাবেশ’ বাস্তবায়ন করতে হবে। সকল গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার, জুলাই সনদ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, পিআর পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান, প্রবাসীদের ভোট প্রদানের ব্যবস্থা এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবিতে ‘জাতীয় সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, জামায়াত সকল জুলম নির্যাতনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েমের মাধ্যমে একটি সুখী-সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করতে চায়। জনগণকে সাথে নিয়েই আমরা জনগণের পাওনা ফিরিয়ে দেব। এ লক্ষ্য অর্জনে জামায়াত নেতাকর্মীদের জনসম্পৃক্ততার কোনো বিকল্প নেই। আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্ঠায় আল্লাহর রহমতে জাতীয় সমাবেশে অবিস্মরণীয় উপস্থিতির মাধ্যমে প্রমাণিত হবে, জামায়াত জনগণের দল। জামায়াত আগামী দিনে দেশ ও সমাজ পরিচালনা করবে, ইনশাআল্লাহ। তিনি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জাতীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে খুলনা মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র ডাকবাংলো মোড়ে লিফলেট বিতরণ, প্রচার কার্যক্রম, গণসংযোগ চলাকালে এ সব কথা বলেন।
এ সময় মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলম, প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, মাওলানা শাহারুল ইসলাম, মাওলানা শেখ মো. অলিউল্লাহ, খুলনা সদর থানা আমীর এস এম হাফিজুর রহমান, সেক্রেটারি মো. আব্দুস সালাম, ছাত্রশিবির নেতা ই¯্রাফিল হোসেন, শ্রমিক নেতা আলী হায়দার নিরু, সাদ্দাম হোসেন, আব্দুর রশীদ, হাবিবুল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মহানগরীর আমীর আরও বলেন, বিগত ১৮ বছরে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হত্যা, জামায়াত ও ছাত্রশিবির শতশত নেতাকর্মীদের গুম, খুনসহ নানা নির্যাতন চালিয়ে জামায়াতের আদর্শিক আন্দোলনকে থামানো যায়নি। ভবিষ্যতেও থামানো যাবে না, ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ, দুর্নীতিমুক্ত ও স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এই দেশ পেয়েছি। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে বাংলাদেশ গড়ে উঠেছিল, সেখানে আর হত্যাকান্ড, গুম, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির স্থান নেই। তাই আগামী বাংলাদেশ হবে ইনসাফের বাংলাদেশ, ইসলামের বাংলাদেশ, কুরআনের বাংলাদেশ, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষের বাংলাদেশ। ১৯ জুলাইয়ের এই জাতীয় সমাবেশ সেই রূপান্তর ও নবনির্মাণের সূচনার দিন হবে ইনশাআল্লাহ। তিনি সবাইকে এই সমাবেশে অংশগ্রহণ এবং শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী সময়ের যে চেতনা ও নির্দেশনা রয়েছে, তা থেকেই এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এ সমাবেশে দিকনির্দেশনামূলক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন এবং আগামী বাংলাদেশ কেমন হবে, সেই রূপরেখা তুলে ধরবেন ইনশাআল্লাহ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button