স্থানীয় সংবাদ

দিঘলিয়ার চাঞ্চল্যকর আলামিন শিকদার হত্যা মামলার আসামী শনাক্ত ও গ্রেফতার সফলতা

দিঘলিয়া প্রতিনিধি ঃ দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহীন এর জোরালো তদন্তে ও দিকনির্দেশনায় দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের নন্দনপ্রতাপ গ্রামের চাঞ্চল্যকর আলামিন শিকদার (৩৫) হত্যার ৫ দিনের মধ্যে রহস্য উন্মোচন, আসামী শনাক্তকরণ ও তার নিজস্ব গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেফতারে সফল হয়েছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, এলাকার একটা মহল যখন মৃত্যু রহস্য নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি ও উধোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে তোলার কঠিন ষড়যন্ত্রে ও অর্থ লেনদেনের মত ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছিল, সেই মুহূর্তে দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহীন এর খুনির ছদ্মনাম ব্যবহার করে আত্মকাহিনী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আতœ ক্ষুনি হিসেবে স্বীকারোক্তি প্রচার উদ্ধার, আল আমিনের খুনি আসাদুল ইসলাম আপনের তার পূর্বের স্ত্রী রিপার সাথে হত্যাকান্ডের পর কথোপকথনের কলরেকর্ড উদ্ধার করা এবং রিপা বেগমের বর্তমান স্বামী আলামিনকে হত্যা করে ঘাতকের সেই মুহূর্তে দিঘলিয়া ত্যাগ করে ঝিনাইদহে কালিগঞ্জে নিজ গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ার ঘটনা আবিষ্কার করে আসামী আসাদুল ইসলামকে ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করে দিঘলিয়ায় নিয়ে আসা শুধু পুলিশের আন্তরিকতার জন্যই সম্ভব হয়েছে।
এদিকে যারা এ হত্যাকান্ডের রহস্য ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করার নীল নকশা শুরু করেছিল, আসামীর সাথে গোপন যোগাযোগ ও অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে হত্যার দায় রিপা বেগমের উপর চাপানোর চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিল তাও দিঘলিয়া থানা পুলিশ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।
এ ব্যাপারে দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ এইচ এম শাহীন বলেন, হত্যা কান্ডের রহস্য উন্মোচন ও প্রকৃত ঘাতককে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা পুলিশের দায়িত্ব। সকল মহলের এ ব্যাপারে পুলিশকে সহযোগিতা করা দায়িত্ব। এর বেশী কিছু করা অপরাধের শামিল। মাত্র ৫ দিনের মধ্যে হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন করে আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করানো সবই সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সম্ভব হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button