কলেজ শিক্ষকের বাড়িতে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে প্রকাশ্য দিবালোকে একজন কলেজ শিক্ষকের বাড়িতে হামলা, ভাড়াটিয়া দম্পতিকে মারধর, বাড়ী ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে শরণখোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ উত্থাপন করেন,
খুলনা সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শফিকুল ইসলাম রাসেল। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ও সংবাদ কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, শরণখোলা উপজেলার রাজৈর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তার বাড়ি। তার সাথে পাশর্^বত্তি আনোয়ার হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কিছু জমি নিয়ে আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে। এ মামলার জমিতে আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আফজাল হোসেন মানিকসহ আরও কয়েকজন শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও বহিরাগত ৭০ থেকে ৮০ জন সশস্ত্র লোক তার বাড়িতে হামলা চালায়। অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা প্রথমে বাড়ির চারপাশের ঘেরাবেড়া ভেঙ্গে ফেলে এবং পরে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় তারা ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, বিভিন্ন মালামালসহ দুটি গরু লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া, তার বাড়ীর ভাড়াটিয়া নজরুল ইসলাম বিশ্বাস ও তার স্ত্রী মহিমা আক্তারকে মারধর করা হয়। গুরুতর আহত নজরুল ইসলামকে প্রথমে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শরণখোলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এ দিকে কলেজ শিক্ষকের অভিযোগ অস্বীকার করে আনোয়ার হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আফজাল হোসেন বলেন, “রাসেলের দাদা বহু বছর আগে বিদ্যালয়ের নামে জমি বিক্রি করেছেন। বর্তমানে ওই জমির সব রেকর্ড স্কুলের নামে। কিন্তু রাসেল জোর করে জমি ভোগদখল করছিলেন। তাই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের জমি দখলে নিয়েছে। এ বিষয়ে শরণখোলা থানার ওসি মোঃ শহিদুল্লাহ বলেন, এ ঘটনায় উভয় পক্ষের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



