মাংসের বাজারে স্বস্তি থাকলেও মাছ সবজির বাজারে ঊর্ধ্বগতি

# ইলিশের বাজারে আগুন থামেনি
শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ মাংসের বাজারে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও মাছের আর সবজির বাজারে এখনও ঊর্ধ্বগতি। আর ভরা মৌসুমেও যেন ইলিশের বাজারে আগুন থামছেনা। বাজারে এ পর্যাপ্ত ইলিশের যোগান থাকলেও দাম কমছেনা। এতে করে নি¤œ ও মধ্য আয়ের মানুষেরা ইলিশের কাছে যেতে সাহস পাচ্ছেনা। পাইকারী মাছ ব্যবসায়িরা বলছেন সাগরে উত্তাল আর বৈরি আবহাওয়ার কারণে ইলিশ ধরা পড়ছেনা। এমনকি আমাদের নদীতে ও দেখা মিলছেনা আগের মত ইলিশ। যা পাওয়া যাচ্ছে এতে করে নৌকার জেলেদের খরচ উঠছেনা। এদিকে বিক্রেতারা বলছেন অতিবৃষ্টি আর চাহিদার তুলনায় যোগান কম থাকা পরিবহণ খরচ বেশি থাকায় বাজারে এমন প্রভাব পড়েছে। এমনকি অতি বৃষ্টি আর বন্যার কারণে ফসলী জমি নষ্ট হয়েছে যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। গতকাল নগরীর বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে সবজির বাজারে লাউ প্রতি পিস ৬০-৭০ টাকা, পেপে ৩০ টাকা, কুশি ৯০টাকা, কাকারোল ৯০ টাকা, বেগুন ১০০-১২০ টাকা, ঢেড়শ ১০০টাকা, পটল ৮০ টাকা, উচ্ছে ৮০ টাকা, ঝিঙে ৮০-৯০ টাকা, কাঁচাঝাল বরজ প্রতিকেজি ২৮০ টাকা,পেয়াজ ৭৫ টাকা থেকে ৮০ টাকা প্রতি কেজি,রসুন ১০০ টাকা কেজি, তবে, মাংেসর বাজরে কিছুটা কমেছে গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা প্রতি কেচি, ও খাশির মাংস সাড়ে ১ হাজার টাকা, মুরগী ব্রয়লার প্রতিকেজি ১৯০ টাকা, সোনালী ২৭০ টাকা, কক ২৮০ টাকা, দেশি ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ১ কেজির ইলিশ ২৫’শ টাকা, ১ কেজি ২’শ গ্রামের ইলিশ ৩ হাজার টাকা, দেড় কেজির ইলিশ ৩৫শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পারসে কেজি ৬৫০ টাকা, পাতাড়ী (২ কেজি ওজন) ৮৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি ছোট হরিণা ৭৫০ টাকা কেজি, ছোট সাইজ গলদা ৮শ টাকা কেজি,রুপচাদ ৮শ টাকা থৈকে প্রকার ভেদে ১২শ টাকা প্রতি কেজি, রুই মাঝারী ৪৫০ টাকা কেজি, কাতলা মাঝারী ৩৫০ টাকা কেজি, রুই বড় ৫৫০ টাকা কেজি, কাতলা বড় ৫০০ টাকা কেজি।ডিম সাদা (বড়) ১১ টাকা ও লাল বড় (বড়) ১৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা হয় দিন মজুর মোঃ মুহসীন এর সাথে তিনি বলেন, বাজারে মাছের দামে আগুন, বর্তমান সময়ে ইলিশের মৌসুম বাজারে ছোট সাইজের ইলিশ ৯শ টাকা করে কেজি হাকাচ্ছে যা ৬ থেকে ৮ পিসে কেজি হবে। আমাদের মত গরীব মানুষ এই ছোট সাইজের ইলিশ কিনতে হলে দু’দিন কাজের পারিশ্রমিক দিতে হবে। এছাড়া বাজারে অন্যান্য মাছ, সবজির যে দাম এর থেকে মাংেসর দাম কম। একই কথা বলেন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি বেলাল তিনি বলেন, আলু, পেঁয়াজ, রসুন অন্যান্য সময়ের থেকে দাম কম। মাছের বাজার উত্তাপ যেন কমছেনা। গেল কয়েক সপ্তাহ আগেও সবজির দাম খুব কম ছিল। হঠাৎ করে দাম বেড়েছে। মাসিক বেতনের চাকুরী বাড়ী ভাড়া পরিবারের অন্যান্য খরচ মিটিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।



