খুলনায় দু’ যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনার ট্যাংক রোড এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে মো. আলামিন ওরফে সবুজ (৩৭) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার বেলা পৌনে ১১ টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই যুবক রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ এলাকার বাসিন্দা সিরাজ মল্লিকের ছেলে। তবে তার এ মৃত্যু রহস্যজনক বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বেলা পৌনে ১১ টার দিকে নগরীর ট্যাংক রোডের ৬৬ এমটি রোডের চারতলা পরিত্যক্ত ভবনে সবুজের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি নামিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, সবুজ মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ফার্ণিচারের দোকানে কাজ করতেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে যায়নি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়ে না পেয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর খুলনার রূপসা থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট হাতে আসলে বোঝা যাবে এটি আত্মহত্যা বা অন্যকিছু। এদিকে খুলনার খালিশপুর থানাধীন হাউজিং এলাকার একটি বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ওসমান গনি (১৪) নামের এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে কী কারণে কিশোরটির মৃত্যু হয়েছে, তা পুলিশ এখনও নিশ্চিত করে বলতে পারেনি। মরদেহ বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর আতাহার আলী জানান, রাত সোয়া ১০টার দিকে খালিশপুর হাউজিং এলাকায় এক কিশোর দড়িতে ঝুলে আছে— এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ কিশোরটিকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান সে বেঁচে নেই। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ওসি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। কী কারণে ঘটনাটি ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি বলেন, কিশোরটি মাদ্রাসার ছাত্র কি না, সেটিও এখনও জানা যায়নি।



