নগরীতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাব ইনচার্জ মোর্তজার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ : ভিডিও আলোচনায়

ভুল রিপোর্টের শঙ্কায় রোগীরা
স্টাফ রিপোর্টার : রোগ নির্ণয় ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা যদি নিজেই হন মাদকাসক্ত, তবে সেই স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টের নির্ভুলতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। সম্প্রতি খুলনা ডায়াবেটিক সমিতির ল্যাব ইনচার্জ ও নগরীর শামসুর রহমান রোডস্থ নোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের টেকনোলজিস্ট মোর্তুজা আলী খাঁনের মাদক সেবনের একটি ভিডিওচিত্র সামনে এসেছে। ফলে তার কর্মরত প্রতিষ্ঠান দুটির সেবা ও রিপোর্টের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে চরম ক্ষোভ ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে সেবাগ্রহীতাদের মাঝে।
প্রাপ্ত ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, মোর্তজা আলী খাঁন একটি কক্ষে বসে পাইপ ও ফয়েল পেপারের মাধ্যমে মাদক সেবন করছেন। ভিডিওতে তাকে একাধিকবার ধোঁয়া টানতে দেখা যায়। স্বাস্থ্য খাতের মতো জায়গায় দায়িত্বশীল পদে থাকা অবস্থায় এমন কর্মকা-ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাধারণ রোগী ও স্বজনরা।
আরও অভিযোগ রয়েছে, ডায়াবেটিক হাসপাতালে ফ্যাসিস্ট আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত টেকনোলজিস্ট কাম ল্যাব ইনচার্জ মোর্তুজা আলী খাঁনের বিরুদ্ধে অনেকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অসদাচরণেরও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় একাধিক ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিক জানান, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রতিদিন শত শত মানুষ রক্তের শর্করাসহ নানা জটিল পরীক্ষার নির্ভুল রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা নেন। ল্যাব ইনচার্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ব্যক্তি যদি মাদকগ্রস্ত হন, তবে তার তদারকিতে প্রস্তুতকৃত রিপোর্ট কতটা ভুলত্রুটিমুক্ত থাকবে তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। অসাবধানতা বা ভুল রিপোর্টের কারণে রোগীর জীবন সংশয়ও হতে পারে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
যদিও অভিযুক্ত মোর্তজা আলী খাঁন ধূমপান করার কথা স্বীকার করলেও মাদক সেবনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তার দাবি- শত্রুতাবসত: কেউ তাকে ফাঁসানোর জন্য এ ধরণের কাজ করতে পারে। তবে, তার কোন শত্রু নেই বলেও স্ব-বিরোধী তথ্য দিয়েছেন তিনি।



