ফ্রিল্যান্সার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের মানববন্ধন

# ফ্রিল্যান্সারদের পাঠদান কেন্দ্রগুলো সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে #
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনায় জেলা প্রশাসন কর্তৃক ফ্রিল্যান্সারদের পাঠদান কেন্দ্রগুলো সকাল ৭টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১২ অক্টোবর খুলনা জিয়াহল চত্বর, শিববাড়ী মোড়ে এক বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, খুলনা মহানগর কর্তৃক আয়োজিত উক্ত মানববন্ধনে শহরের সর্বস্তরের শিক্ষক-অভিভাবকদের সত:স্ফুর্ত অংশগ্রহণে মানববন্ধনটি স্মরণকালের বিশাল মানববন্ধনে পরিনত হয়। বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, খুলনা মহানগর আহবায়ক কে, এম, এ জলিলের সভাপতিত্বে উক্ত মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করতে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক, খুলনা-২আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন। সদর থানা বিএনপির বিপ্লবী সভাপতি কে,এম,হুমায়ূন কবির,মহিলা নেত্রী এবং অভিভাবক মুন্নী জামান, সমাজসেবা সমন্বয়ক সভাপতি মঈনুল ইসলাম কিরনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবি অঙ্গনের সম্মানিত নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও মানববন্ধন কর্মসূচিতে সম্মানিত শিক্ষকগন এবং অভিভাবকগন বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তাগন অনতিবিলম্বে খুলনায় ফ্রিল্যান্সারদের পাঠদান কেন্দ্রগুলো নির্বিঘেœ সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পাঠদান দিতে পারে,তারজন্য মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট জোর দাবী জানান।বক্তারা জোর দিয়ে বলেন,”স্কুলের বিকল্প কোচিং নয়। কোচিং একটি সহায়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান”!শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে সঙ্গতি রেখে কোচিংগুলো শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিয়ে থাকে।পাশাপাশি কোচিং কখনো স্কুল চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান দেয়না।স্কুল শুরু হওয়ার আগে এবং স্কুল ছুটির পরে কোচিংগুলো শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিয়ে থাকে।এরফলে স্কুল/কলেজের শিক্ষার্থীদের স্কুল/কলেজ ফাঁকি দিয়ে কোচিং করার কোন সুযোগ নেই।সংগঠনের সভাপতি কাজী জলিল বলেন,শিক্ষিত বেকার যুবকদের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন কোচিং।সকাল ৭টা থেকে ৫টা পর্যন্ত কোচিং কার্যক্রম বন্ধ থাকলে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।কারন বিকাল ৫টায় কোচিং করতে আসা শিক্ষার্থীদের যতটা কষ্টসাধ্য ঠিক ততোটাই অনিরাপদ।রাত ৯/১০টা পর্যন্ত আমাদের ছেলে-মেয়েরা এবং তাদের মায়েরা ঘরের বাইরে থাকলে,তাদের নিরাপত্তার দ্বায়ভার কে নেবে এবং এরফলে শিক্ষিত বেকার যুবকদের প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।হাজার হাজার শিক্ষিত বেকার যুবকদের ইনকামের একমাত্র অবলম্বন কোচিংগুলো বন্ধ হয়ে গেলে তারা পথে বসে যাবে। তিনি দাবী করেন বাংলাদেশের সব জেলায় যদি নির্বিঘেœ কোচিং কার্যক্রম চালাতে পারে তাহলে খুলনা কেন পারবেনা?তিনি অনতিবিলম্বে ফ্রিল্যান্সারদের পাঠদান কেন্দ্রগুলোকে সারাদিন কার্যক্রম চালানোর জোর দাবী জানান।অভিভাবকদের দাবী তাদের সন্তানরা কোথায় পড়বে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার অভিভাবকদের।খুলনায় কোচিং শিক্ষার ওপরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে অভিভাবকগন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন।তারা অনতিবিলম্বে জেলা প্রশাসনের প্রজ্ঞাপন বাতিল করার জোর দাবী জানান। উক্ত মানববন্ধনে বাংলাদেশ ফ্রীল্যান্সার ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সর্বস্তরের সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



