সদ্য বিবাহিত স্বামীর প্রহারে অতিষ্ঠ স্ত্রী আমেনা খাতুন ও তার পরিবারের সদস্যরা

স্টাফ রিপোর্টার ঃ সদ্য বিবাহিত স্বামীর প্রহারে অতিষ্ঠ স্ত্রী আমেনা খাতুন ও তার পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয়মাস আগে পারিবারিক ভাবে দেখাশোনার পর ডুমুরিয়ার ফলৈমারি গ্রামের ১৩ নং ওয়ার্ডের গুটুদিয়া ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর গফুরের কণ্যা আমেনা বেগমের সাথে বিয়ে হয় খুলনার কালিবাড়ী ঘাট এলাকার রাজাপুরের ফজর আলীর পুত্র জনির সাথে।
বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই স্ত্রী আমেনা আক্তার কে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক আনতে চাপ প্রয়োগ করে জনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরবর্তিতে মেয়ের সুখের জন্য দরিদ্র গফুর ধারদেনা করে নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন জামাতা জনির হাতে। স্ত্রী আমেনা খাতুন এর দরিদ্র পিতা হিসেবে গফুরের পক্ষে এর চেয়ে বেশি যৌতুকের টাকা দেয়া সম্ভব না হওয়ায় তার উপর নির্যাতন শুরু করে জনি ও তার পরিবারের লোকজন।
এদিকে দিনের পর দিন অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে গেলেও সংসার টিকিয়ে রাখতে সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করে আসছিল স্ত্রী আমেনা। কিন্তু গত ৯ অক্টোবর আমেনা তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসলে স্বামী জনি ও তার কয়েকজন বন্ধু আমেনার বাবার বাড়িতে এসে তাকে এলোপাথাড়ি প্রহার করলে জ্ঞান হারায় সে। এ সময় ভুক্তভোগীর পরিবারের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দ্রুত পালিয়ে যায় জনি ও তার সাথে থাকা বন্ধুরা। অন্যদিকে কোন প্রকার আইনি ব্যবস্থা না নেয়ার জন্য স্ত্রী আমেনা খাতুনের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছে জনি।
এ ঘটনায় জনির পিতা ফজর আলী ও তার মামাকে ফোন দিলে তারা জানায় জনি আমাদের কথা শুনে না এবং আমাদের মানেও না সে উশৃংখল জীবন যাপন করে।
আমেনার গ্রামের বাড়ি ফলোইমারি এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন নিরীহ এই পরিবারটি জনির ভয়ে প্রতিনিয়ত শংকিত ।
অন্যদিকে এ ঘটনায় ওয়ার্ডের মেম্বার মাসুদ রানা বরাবর একটি অভিযোগ করেছেন আমেনার পরিবার। পাশাপাশি উশৃংখল স্বামী জনির হাত থেকে রেহাই পেতে স্ত্রী আমেনা ও তার পরিবারের সদস্যরা আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানিয়েছেন।



