সেন্ট যোসেফ স্কুল ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্র্থী কোচিং এ গিয়ে নিরুদ্দেশ : থানায় জিডি

স্টাফ রিপোর্টারঃ ১৪ বছর বয়সী সাদ বিন শফিক নামের এক কিশোর হারিয়ে গিয়েছে। গত ২ নভেম্বর ২০২৫ ইংরেজি তারিখ রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে খুলনা নগরীর আহসান আহমেদ রোডস্থ সত্যজিৎ স্যারের ইংরেজি কোচিং শেষে আর বাসায় ফেরেনি। সে সেন্ট জোসেফ স্কুলের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার পিতার নাম অ্যাড. কেএম শফিকুল আলম। হারানোর সময় তার পরনে ছিল কালো প্যান্ট, কমলা রঙের গেঞ্জি এবং পায়ে কেডস। উচ্চতা প্রায় ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি, গায়ের রং ফর্সা। এই বিষয়ে খুলনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। তার বাসা পূর্ব বানিয়া খামার, খুলনা। আমি নি¤œস্বাক্ষরকারী কে. এম শফিকুল আলম (৫৫), পিতা: খান জহুরুল হক, মাতা: মোসাঃ আনোয়ারা বেগম, রাড, খুলনা।,বর্তমানে সি পূর্ব বানিয়াখামার, নং-২৭ ওয়ার্ড, বসবাস করেন। স্যারের ব্যাচে আহসান আহম্মেদ রোডে পি টি আই মোড় ইংলিশ পড়ার জন্য আমি সঙ্গে নিয়ে বিকাল ৫টার দিকে বের জিডিতে উল্লেখ করা হয় সাদকে ব্যাজে পেঁৗঁছাই দেই। সেখানে ১ অধ্যায়ন করার পর সন্ধ্যা ৬.১৫ মি এর সময় বাংলা কোচিং এর জন্য অহসান আহম্মেদস্থ প্রদীপ কুমারসোম এর বাংলা ব্যাচে যাওয়ার জন্য বলি। পরবর্তীতে আমি নীচে নেমে খোজাখুজি করি। না পেয়ে প্রদীপ কুমার সোম এর বাংলা কোচিং এ যাই। সেখানে যেয়ে স্যারের নিকট আমার ছেলের খোঁজ নেই। তখন স্যার বলেন সাদ কোচিং এ আসে নাই। পরবর্তীতে আমি উক্ত এলাকায় আমার সন্তানকে ব্যপক ভাবে খোজাখুজি করি। কিন্তু তার কোন সন্ধান পাইনি। পরের দিন অর্থাৎ ৩ অক্টোবর সকাল ৭ টার দিকে সেন্ট যোসেফ উচ্চ বিদ্যালয়ে যেয়ে প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য শিক্ষকদের বিষয়টি জানাই। প্রধান শিক্ষক খোঁজ খবর নিয়ে কোন সন্ধান দিতে পারেননি এর পরে আমার আত্মীয় স্বজন এবং ছেলের বন্ধু বান্ধব এর নিকট খোজ খবর নিলে কোন সন্ধান পাইনি। পরে সদর থানায় জিডি করা হয়।সাদের পুরাে নাম সাদ বিন শফিক (১৪), স্কুল- সেন্ট যোসেফ উচ্চ বিদ্যালয়, খুলনা, শ্রেনী-৮ম, শাখা-গ, রোল- ৭১, উচ্চতা-৪-৮০, গায়ের রং ফর্সা, পোশাক- জিন্সের প্যান্ট ব্লাক, কমলা রংয়ের গেঞ্জি, পায়ে কেডস।



