স্থানীয় সংবাদ

বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের গেল অর্থ বছরে রাজস্ব আদায় প্রায় ১৯ কোটি টাকা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেল ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ১৮ কোটি ৬৮ লক্ষ ৭৬ হাজার ১’শ ২৫ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। এ ছাড়াও এ জেলাতে ধারাবাহিক ভাবে যানবাহনের উপর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দুই লাখ ৩৯ হাজার ৬’শ ৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে (জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত) রেজিষ্ট্রেশন, মালিকানা, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ফিটনেস, রুট পারমিট খ্যাতসহ মোবাইল কোর্ট জরিমানা থেকে উক্ত রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।
সোমবার (০৩ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার উসমান সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।
তিনি আরো জানান, গেল অর্থ বছরে সাতক্ষীরা সার্কেলে মোট ৫ হাজার ৮৩৬টি মোটর সাইকেল ও অন্যান্য যান ২৩ টি রেজিষ্ট্রেশন, মালিকানা বদলী ৫৮০টি, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু ৭ হাজার ৫২১টি, নবায়ন ৮২৭টি, ফিটনেস সার্টিফিকেট ইস্যু ২৩ টি, নবায়ন ২ হাজার ৭শ ১৫ টি। রুট পারমিট ইস্যু ২১ টি এবং নবায়ন করা হয়েছে ২৫৪ টি। ডিজিটাল রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ডিজিটাল স্মার্ট কার্ড) বিতরণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৮শ ৩৬ টি। এছাড়া জেলায় ১২৬টি ভ্রাম্যমান আদালতে ২৯২টি মামলা দায়েরের বিপরীতে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬শ ৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার উসমান সরওয়ার আলম আরো বলেন, ‘বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সফলতা ও ব্যর্থতা দুটিই রয়েছে। আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ জলবল না থাকায় অল্প সংখ্যক জনবল নিয়ে গ্রাহক সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া নিজস্ব ভবন না থাকায় গ্রাহকরা কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে অনলাইন পদ্ধতিতে ওয়ানস্টপ সার্ভিস দেয়া হচ্ছে। চালকদের জন্য সর্বাধুনিক স্মার্ট লাইসেন্স সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে ভুয়া লাইসেন্সধারী চালকের সংখ্যা কমবে। ফলে মানুষ প্রতারিত হবে না। এছাড়া সাতক্ষীরা সার্কেলের নিজস্ব ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ এর মাধ্যমে গ্রাহকদের সকল অভিযোগ গ্রহণ ও নিস্পত্তি করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ বলেন, বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন ও সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। সকল প্রকার সেবা অনলাইনে প্রদানের ফলে বিআরটিএ অফিসে এসে এখন আর মানুষকে হয়রানি হতে হয়না। এছাড়া জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে বিআরটিএ’র টাকা জমা দেওয়ার জন্য একটি বুথ চালু করা হয়েছে। নতুন ভবন করতে পারলে সাধারণ মানুষ আর হয়রানীর শিকার হবেনা বলে তিনি আরো জানান।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button