স্থানীয় সংবাদ

দিঘলিয়ায় নিখোঁজের তিন দিন পর আতাই নদী থেকে ট্রলার মাঝির লাশ উদ্ধার

দিঘলিয়া প্রতিনিধি ঃ
দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি মদিনা মসজিদ এলাকার শাহ আলম মোল্যা ওরফে কালুর(৩৫) নিখোঁজের ৩ দিন পর লাশ উদ্ধার করেছে খুলনা নৌ থানা পুলিশ। নিহত শাহ আলম একজন ট্রলার চালক। সে দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি মদিনা মসজিদ এলাকার সোনা মোল্যার পুত্র এবং দিঘলিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আঃ কাদের জনির ট্রলার চালক। গত ৭/৪/২০২৬ তারিখে সেনহাটি শিববাড়ি মন্দীর ঘাটের চরে ট্রলার ওঠানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। তার স্বজনেরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলাতে ব্যর্থ হয়। এদিক কয়েকজন শিশু শিববাড়ি মন্দীর ঘাটে একটা মোবাইল পেলে আশঙ্কা আরো তীব্র হয়। গত ৮/০৪/২০২৬ তারিখে নিখোঁজ শাহ আলমের স্ত্রী লিপি বেগম (৩০) তার স্বামীর নিখোঁজের কথা জানিয়ে দিঘলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ১০ টার দিকে লোকজন আতাই নদীর মোকামপুর ঘাটে এক ব্যক্তির লাশ ভাসতে দেখে দিঘলিয়া থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। দিঘলিয়া থানা পুলিশ খুলনা নৌ থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে নৌ থানা পুলিশ সকাল ১১ টার দিকে লাশ উদ্ধার করে। সংবাদ পেয়ে নিখোঁজ শাহ আলমের স্ত্রীসহ স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শণাক্ত করে। খুলনা নৌ থানা পুলিশ লাশ ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, তার সাথে কারো কোনো শত্রুতা ছিল না। তার মৃত্যুর কারণ এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। ঘটনার রাতে আবহাওয়া খারাপ ছিল। ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাত হচ্ছিল।
দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম এ প্রতিবেদককে জানান, আতাই নদী থেকে ট্রলার মাঝি শাহ আলমের লাশ উদ্ধার করেছে খুলনা নৌ থানা পুলিশ। আমাদের দুপুর ২.৩০ মিনিটের সময় জানিয়েছে। নৌ থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। পোস্ট মার্টেম রিপোর্ট ছাড়া মৃত্যুর কারণ বলা যাচ্ছে না। আমাদের তদন্তের দায়িত্ব দিলে আমরা তদন্ত করবো। নচেৎ নৌ থানা তদন্ত করবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button