স্থানীয় সংবাদ

শ্রমিকদের আর্থিক সহায়তার চেক ফেরত দিচ্ছেন শ্রম অধিদপ্তর

# চেকগুলোর মেয়াদ দুই মাস থাকলেও ফেরত দিচ্ছেন খুলনার পরিচালক #

স্টাফ রিপোর্টর: খুলনা শ্রম অধিদপ্তরে উপকারভোগী শ্রমিকদের আর্থিক সহায়তার প্রায় চল্লিশটি চেক ফেরত দিচ্ছে খুলনা শ্রম অধিদপ্তরের পরিচালক। এর আগে অসহায় শ্রমিকেরা শারিরিক অসুস্থতা, শিক্ষাবৃত্তি, মৃত শ্রমিকদের দাফন খরচসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেন শ্রম অধিদপ্তরে। যার প্রেক্ষিতে ২৪২ টি আর্থিক সহায়তার চেক ও শিক্ষা সহায়তার চেক সহ মোট ৩০১ টি চেক প্রদান করেন শ্রম অধিদপ্তর খুলনাকে। তবে এর মধ্যে উপকারভোগী শ্রমিকদের প্রায় চল্লিশটির মত আর্থিক সহায়তার চেক ফেরত দিচ্ছেন খুলনা শ্রম অধিদপ্তরের পরিচালক হাফেজ আহমেদ মজুমদার। এর আগে এসব উপকারভোগী শ্রমিকদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকলেও জাতীয় পরিচয়পত্র ঠিকানা অনুযায়ী স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের মাধ্যমে খুঁজে বের করা হতো। তবে এবছর ভিন্ন নিয়ম চালু করে শ্রমিকদের আর্থিক সহায়তার চেক ফেরত দিচ্ছেন। কথা হয় উপকারভোগী শ্রমিক তরিকুল ইসলামের পরিবারের সাথে তার স্ত্রী রমিসা বলেন, আমার স্বামী আবেদন করেছিল আর্থিক সহায়তার জন্য। তবে তিনি হঠাৎ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায়। আমারা যোগাযোগ করা হলে পরিচালক বলেন, এভাবে চেক দেয়া যাবেনা অন্যান্য ওয়ারেশের ক্ষমতা লাগবে সহ বিভিন্ন অজুহাত দেখান। এরপর অন্য একজন কর্মকর্তার সহযোগীতা চেক দেন । তবে বিষয়টি নিয়ে সচেতন নাগরীক মোঃ খালিদ হোসেন বলেন, অনেক শ্রেিমকের ফোন বন্ধ থাকতে পারে । এরা গরীব মানুষ বিভিন্ন কারণে ফোন হারিয়ে যাওয়া বা চুরি বা ফোন বন্ধ থাকতে পারে। এ জন্য তাদেরকে জাতীয় পরিচয় পত্র ঠিকানা অনুযায়ী স্থানীয় জন প্রতিনিধি বা থানায় যোগাযোগ করে তাদেরকে খুঁেজ উপকারভোগী শ্রমিকদের সরকারী প্রাপ্য আর্থিক সহায়তার চেক দেয়া যেতে পারে। শুধু মোবাইল ফোন বন্ধ থাকার কারণে চেক ফেরতে দেয়া সঠিক কাজ বলে মনে হয়না। এখানে অধিদপ্তরের অবহেলার পরিচয় বলে আমি মনে করি। চল্লিশজন শ্রমিকের অর্থ ফেরত না দিয়ে তাদেরকে খুঁজে বের করে তাদেরকে চেক দেয়া উচিত বলে আমি মনে করছি। তবে বিষয়টি নিয়ে খুলনা শ্রম অধিদপ্তরের খুলনার বিভাগীয় পরিচালক হাফেজ আহমেদ মজুমদার বলেন, আমাদের মন্ত্রনালয়ের চিঠিতে উল্ল্যেখ আছে যেসব উপকারভোগী শ্রমিকদের খুঁজে পাওয়া যাবেনা তাদের আর্থিক সহায়তার চেক ২১ কর্ম দিবসের মধ্যে চেক ফেরত দিতে হবে। আমি চিঠির নিয়ম অনুযায়ী পাঠিয়ে দিচ্ছি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button