ভারতে মসজিদ কে মন্দিরে রুপান্তর করায় আমরা খুলনাবাসীর প্রতিবাদ সভায় বক্তারা

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ধার শহরে ভোজশালা. কামাল মাওলা মসজিদ কম্পেলেক্স কে মন্দিরে রুপান্তর করা.এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচলে অননুমোদিত মসজিদ সিলগালা করার প্রতিবাদে ইংরাজি ৮ জুন সোমবার বিকাল ৪টায় বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর কার্যালয়ে সংগঠন সভাপতি ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে.ও মোঃ জামাল মোড়লের পরিচালনায় বক্তারা বলেন. ভারতের মধ্য প্রদেশ ধার শহরে ভোজশালায়১৩-১৪ শতকের কামাল মাওলা মসজিদ কম্পেলেক্স এখন গেরুয়া পতাকায় ছেয়ে গেছে.বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েনের মধ্যেই দেবীর একটি অস্হায়ী মুর্তি বসিয়ে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির উপর আঘাত হানায়.এবং অরুণাচল প্রদেশে অননুমোদিত মসজিদ সিলগালা করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে.নেতৃবৃন্দ বলেন.১৯৩৫ সালে তৎকালীন সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় কামাল মাওলা মসজিদ কম্পেলেক্স মুসলমানদের মসজিদ.এখানে মুসলমানদের নামাজ চলমান থাকবে.অথচ মধ্য প্রদেশ হাইকোর্ট সেই বিজ্ঞপ্তি গ্রহণ না করে উগ্রবাদি হিন্দুদের পক্ষে রায় প্রদান করেন।নেতৃবৃন্দ আরও বলেন মুসলমানদের পক্ষের আইনজীবী আরশাদ ওয়ারসি বলেন বিবরনীর সাথে থাকা মানচিত্রতে পরিস্কার দেখা যায় যে কামাল মাওলা মসজিদ কম্পেলেক্স আর হিন্দুদের দেবীর মূর্তির স্হান সিটি প্যালেস দুটি ভিন্ন স্হান হলেও বিরোধি পক্ষ কামাল মাওলা মসজিদ কম্পেলেক্স নিয়ে ডাহা মিথ্যাচার করে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানচে অরুণাচল রাজ্যের ১২টি অননুমোদিত মসজিদ সিলগালা করে বন্ধ করায় মুসলমানদের ধর্ম পালনে বাধার সৃষ্টি করা এবং ভারতে নির্বাচন পরবর্তী মুসলমানদের উপর জুলুম অত্যাচার.নারীদের উপর হেনস্থা.পাশবিক নির্যাতন করায় তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়ে. নেতৃবৃন্দ তা বন্ধের জন্য বিশ্বের অন্যতম গনতন্ত্রান্তিক দেশ ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের প্রতি আহব্বান জানিয়ে.বক্তব্য রাখেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সহ সভাপতি.ডাঃ সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু.মোঃ সিরাজ উদ্দিন সেন্টু মোঃ জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিপু.মোঃ কামরুল ইসলাম কামু বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম স্বমন্বয় কমিটির মহাসচিব এস এম সোহরাব হোসেন.আমরা খুলনাবাসীর সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান খোকন.যুগ্ম সম্পাদক মোঃ কামরুল ইসলাম ভুট্টো নাগরিক সমাজ খুলনার সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান নাগরিক উদ্দোগের মোঃ শফিকুর রহমান.আমরা খুলনাবাসীর সাংগাঠনিক সম্পাদক মোঃ সাকিল আহমেদ রাজা.মোঃ খায়রুল আলম.সৈয়দ বদিউজ্জামান বদু.মোঃ মনিরুজ্জামান মিলন.মোঃ মামুন অর রশিদ.মোঃ মেজবাহ উদ্দিন পাপ্পু.মোঃ রেজওয়ান হোসেন.মোঃ আসাদুজ্জামান বাদশা. সদর থানার সভাপতি.শেখ মফিজুর রহমান.মোঃ ইকবাল কবির জিন্দেগী.সাধারন সম্পাদক তারিকুজ্জামান চৌধুরী মিতুল.মোঃ আবু বক্কার ও মোঃ আজমল হোসেন সহ প্রমুখ।।



