স্থানীয় সংবাদ

মুসা হোসেন খানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ : ‘ষড়যন্ত্র ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার’ দাবি বিএনপি নেতার

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রিহ্যাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক, বিএনপি নেতা মুসা হোসেন খানের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আইনের আশ্রয় নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মুসা হোসেন খান দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি জমি ও আবাসন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং এলাকায় একজন পরিচিত ও সমাজসেবামূলক ব্যক্তি হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে যে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার অপচেষ্টা। অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, রেশমি বেগম নামে এক নারী রাজবাধ মৌজায় তিন শতক জমিসহ একটি বাড়ি মুসা হোসেন খানের কাছ থেকে ক্রয় করেন। উভয় পক্ষের মধ্যে মোট ১৬ লাখ টাকায় বিক্রয়মূল্য চূড়ান্ত হয়। সে সময় ক্রেতা ৬ লাখ টাকা পরিশোধ করেন এবং অবশিষ্ট ১০ লাখ টাকা এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করবেন মর্মে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয়। পাশাপাশি জমির দলিল-সংক্রান্ত মূল কাগজপত্র বিক্রেতার কাছে সংরক্ষিত ছিল বলে দাবি করেন মুসা হোসেন খান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ না করায় তিনি একাধিকবার রেশমি বেগমকে অর্থ পরিশোধের জন্য তাগিদ দেন। তবে বিভিন্ন অজুহাতে তিনি সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে অফিসে এসে তার অনুপস্থিতিতে স্ট্যাম্প ও দলিল-সংক্রান্ত কাগজপত্র নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মুসা হোসেন খান আরও দাবি করেন, রেশমি বেগম তার দীর্ঘদিন ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন চুরি করেন। ওই মোবাইলে তার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সংরক্ষিত ছিল। তিনি একাধিকবার মোবাইলটি ফেরত চাইলেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন। বরং ওই ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দিয়ে তার সম্মানহানি করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন তিনি। মুসা হোসেন খান বলেন, “জমির বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করেই কাগজপত্র নেওয়ার উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চলছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেছেন। এদিকে, প্রতিবেদনের স্বার্থে রেশমি বেগমের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। উল্লেখ্য, উভয় পক্ষের অভিযোগ-দাবির সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ পর্যালোচনার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button